নিজের নিরাপত্তা ও নতুন করে প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগের দাবিতে হাবিবের আবেদন
ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রার্থী হাবিবুল ইসলাম হাবিব নিজের নিরাপত্তা এবং নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসাদের দলীয়করণের ঊর্ধ্বে থেকে পুনরায় তাদের নিয়োগের দাবিতে রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন।
সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামালের কাছে এ ব্যাপারে আলাদা দুটি লিখিত আবেদন করেছেন।
আবেদনে হাবিব উল্লেখ করেছেন, আমি গত চার বার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি। কিন্তু বর্তমানের মত নির্বাচনের পরিবেশ আমি কখনো দেখিনি। আমার প্রাচার মাইক ভেঙে দিয়েছে আওয়ামী লীগের লোকজন। ধানের শীষ প্রতিকের কোন পোস্টার সাঁটতে দেয়া হচ্ছে না। যা আমি বার বার মৌখিকভাবে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাইনি। আমি গত ১৪ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় আমার কলারোয়ার নিজ বাসভবনে দলীয় কর্মীদের নিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী মতবিনিময় শেষে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে লিফলেট বিতরণের উদ্দেশ্যে কলারোয়া বাজার প্রদক্ষিণ করছিলাম। সেসময় থানা থেকে মাত্র ১০০ গজ দূরে হাইস্কুল মার্কেটে পৌঁছুলে পুলিশ প্রশাসনের সামনেই ২০-৩০ জন আওয়ামী সন্ত্রাসী পিছন দিক থেকে আমার নেতা কর্মীদের উপর হামলা করে। হামলার হাত থেকে কর্মীদের রক্ষা করতে গিয়ে আমি নিজেও আহত হই এবং আমার উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক বজলুর রহমানসহ ১০ নেতা-কর্মী গুরুতর আহত হন। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
এছাড়া ২৯ নভেম্বর সন্ধ্যায় সাবেক এমপি অতিয়ার রহমানের ছেলে আখলাকুর রহমান শেলীকে বাসস্ট্যান্ডে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায়। তিনিসহ তকদীর আহমেদ রুবেল বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এখনও প্রতিদিন বিকাল ও সন্ধ্যায় ২০-৩০ জন লাঠি, রড, হকিষ্টিক নিয়ে প্রকাশ্যে মিছিলসহ মহড়া দিচ্ছে। যার জন্য সন্ধ্যার পর গোটা কলারোয়া বাজার আতঙ্কে জনমানব শূন্য হয়ে পড়ছে। এমন ভীতিকর পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। আমার বাসভবনের সামনে সন্ত্রাসীরা সার্বক্ষণিক মহড়া দিচ্ছে, যাতে আমার বাড়িতে কোন দলীয় নেতা-কর্মী আসতে না পারে। যে কারণে আমি নিজেও নিরাপত্তার অভাব বোধ করছি।
এদিকে অপর একটি আবদনে তিনি জানান, তার আসনে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসাদের সম্পূর্ণভাবেভাবে রাজনৈতিক বিবেচনায় দলীয়করণের মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যা নিরপেক্ষ নির্বাচনে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে।

Leave a Reply