ঢাকাSaturday , 4 August 2018
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

প্রয়োজনে একটি গাছ কাটলে তিনটি গাছ রোপণ করতে হবে

admin ঢাকা
আপডেট: 4 August 2018, 16:08

গাজী আসাদ: ‘সবুজে বাঁচি, সবুজ বাঁচাই, নগর-প্রাণ-প্রকৃতি সাজাই’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষ রোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলা উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (৪ আগস্ট) সকাল ১০টায় শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে ও ফিতা কেটে প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন।
‘অপ্রতিরোধ্য দেশের অগ্রযাত্রা ফলের পুষ্টি দেবে নতুন মাত্রা’ স্লোগানকে সামনে রেখে মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তরফদার মাহমুদুর রহমান’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা অমিতা মন্ডল ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. নূরুল ইসলাম।
জেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য সচিব শেখ মুসফিকুর রহমান মিল্টনের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা নার্সারি মালিক সমিতির সভাপতি মো. নূরুল আমিন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সহকারি পুলিশ সুপার মো. হুমায়ন কবির, জেলা সামাজিক বন কর্মকর্তা কাজী মারুফ হাসান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন প্রমুখ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাই গাছ লাগানো আমাদের জন্য অপরিহার্য হয়ে গেছে। অপ্রয়োজনে গাছ কাটা যাবে না। যদি প্রয়োজনে একটি গাছ কাটি তবে তিনটি গাছ রোপণ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের কাছে অনুরোধ পড়া-লেখার পাশাপাশি বৃক্ষ রোপণে এগিয়ে আসো। গাছের গায়ে পেরেক মেরে ব্যানার-ফেস্টুন মারা হয়, এগুলো শাস্তি যোগ্য অপরাধ। এটা করা যাবে না।
তিনি আরো বলেন, সাতক্ষীরায় নার্সারির সুনাম আছে। বৃক্ষ রোপণে তাদের অবদান অনেক। তবে রাস্তার ধারে, খাস জমিতে নার্সারি করা যাবে না। প্রয়োজনে আলোচনার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণ করে নার্সারির মার্কেট করা যেতে পারে।
মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ সামাজিক বন বিভাগের মাধ্যমে বনায়ন কর্মসূচির ১০ জন সুবিধাভোগীর মধ্যে ৫২ হাজার দুইশ ৬১ টাকা করে মোট ৫ লক্ষ ২০ হাজার ছয়শ টাকার চেক তুলে দেন। এসময় পানি উন্নয়ন বোর্ডকেও ২ লক্ষ ৭৯ হাজার টাকা এবং ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদকে ৬৯ হাজার টাকার চেক দেওয়া হয়। পরে অতিথিরা অনুষ্ঠানে আগত শিক্ষার্থীদের হাতে দুইশ বিভিন্ন ফলজ গাছের চারা তুলে দেন এবং মেলায় আগত স্টল পরিদর্শন করেন।
এর আগে জেলা অফিসার্স থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এসে শেষ হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *