ঢাকাFriday , 14 December 2018
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

রণাঙ্গনের গল্প: কুখ্যাত রাজাকার কমান্ডার মাকসুদ মাওলানাকে ধরে ফেলি

admin ঢাকা
আপডেট: 14 December 2018, 20:41

ফাহাদ হোসেন: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মৃগিডাঙ্গা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ। যখন তার বয়স ২৮, তখন কোন প্রশিক্ষণ ছাড়াই তিনি অংশ নেন মহান মুক্তিযুদ্ধে। পরে ভারত থেকে ট্রেনিং নিয়ে একের পর এক পাক বাহিনীর আস্তানা উড়িয়ে দিতে থাকেন। হত্যা করেন রাজাকারদের। তার সহযোদ্ধা কয়েকজন শহীদ হলেও অল্পের জন্য বেচেঁ যান তিনি।
দৈনিক সুপ্রভাত সাতক্ষীরাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তালা, কলারোয়া, সাতক্ষীরাসহ খুলনার বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধ করেছেন তিনি। ট্রেনিং এ যাওয়ার আগে একজন বিডিআর সদস্যের সাধারণ কিছু নির্দেশনায় তিনি অংশগ্রহণ করেছেন বেলেডাঙ্গা ও কাকডাঙ্গা যুদ্ধে। ওই সময় বেলেডাঙ্গাতে খুব বড় যুদ্ধ হয়েছিল। রেউই বাড়ি মুনসুর নামে তাদের এক সদস্যসহ আরো কয়েকজন ওই যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন। তিনি ওইদিন ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান। পরে ভারতের উত্তর প্রদেশে হায়ার ট্রেনিং নিতে াযন তিনি। ব্রাদুনের তান্ডুপ নামক জায়গায় তাদের ট্রেনিং হয়। ট্রেনিং শেষে তালা এলাকায় বাতুয়াডাঙ্গা ক্যাম্পে যোগদেন রশিদ। সেখান থেকে অনেক যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন তিনি। আট নম্বর সেক্টরে মেজর মঞ্জুরের অধীনে তিনি যুদ্ধ করেছেন।
তিনি বলেন, যুদ্ধজীবনের উল্লেখযোগ্য একটি হলো মাটিয়াডাঙ্গা রাজাকার ক্যাম্প অপারেশন। খুব অল্প সংখ্যক যোদ্ধা ছিলাম আমরা, মাত্র তিনজন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমরা ওই যুদ্ধটা সাকসেসফুল করি। কুখ্যাত রাজাকার কমান্ডার মাকসুদ মাওলানা ওই ক্যাম্পের দায়িত্বে ছিল। তাকে আমরা হাতেনাতে ধরে ফেলি। মাটিয়াডাঙ্গায় একটা মসজিদ ছিল, সেই মসজিদের পাশে তাকে হত্যা করি। খুব বিপদ গেছে ওই যুদ্ধে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ বলেন, একটি স্বাধীন বাংলাদেশ চেয়েছিলাম। যে বাংলাদেশে শোষণ থাকবে না, দারিদ্র্য থাকবে না। একটি উন্নত জাতি হিসেবে বাঙালি জাতি প্রতিষ্ঠা পাবে। বাঙালি জাতির জন্মলগ্ন থেকে আমরা বার বার অক্রান্ত হয়েছি। তারপরও বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাড়াবার সংগ্রামে লিপ্ত। নিশ্চয় বাংলাদেশ একদিন অর্থনৈতিক মুক্তি পাবে, বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাড়াবে সমৃদ্ধশালী হিসেবে- আর সেদিনই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *