(গতকালের পর) রাজাকাররা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে প্রতিরোধ ছাড়াই অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে আত্মরক্ষা করে। কয়েকজন ধরা পড়ে। ৩১ অক্টোবর প্রচুর গুলি ও ১৫টি রাইফেলসহ ১৫ জন রাজাকার হেতালবুনিয়া ক্যাম্পে সাবমেরিনার লে. রহমতউল্লাহ বীর প্রতীকের কাছে আত্মসমর্পণ করে। এর আগেও বেশ কিছু সংখ্যক প্রায় ২০০ রাজাকার আত্মসমর্পণ করে। সাবমেরিনার লে. রহমতউল্লাহর অনুমতিক্রমে তাদের মাঝে ৬০ জনকে কমান্ডো বজলুর রহমান ও শফিক আহমেদ হাতিরডাঙা মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পের পার্শ্ববর্তী পুকুরে নৌ-কমান্ডো প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। কিন্তু তাদের কোন নৌ-যুদ্ধে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হয়নি। তবে আত্মসমর্পণকারী রাজাকার এবং পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন যুদ্ধে বিশ্বস্ততার পরিচয় দিয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে তারা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। তাদের একটি তালিকা আছে। (তথ্য: জিএমএ রহিম বজলুর রহমান ও জিএমএ গফ্ফার) (চলবে)। (সূত্র: জেলা প্রশাসনের তথ্য বাতায়ন)
