ঢাকাThursday , 13 December 2018
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

প্রচারে বাধা, মারপিট ও গণগ্রেফতারের অভিযোগে বিএনপির প্রার্থী ডা. শহীদুল আলমের সংবাদ সম্মেলন

admin ঢাকা
আপডেট: 13 December 2018, 00:15

ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা-৩ আসনে বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের নির্বাচনি প্রচারে বাধা, মারপিট ও গণগ্রেফতারের অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (১২ ডিসেম্বর) বিকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে সাতক্ষীরা-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও দলটির জাতীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ডা. শহিদুল আলম এই অভিযোগ করেন।
এ সময় তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ দলীয় কয়েকজন ইউপি চেয়ারম্যান ও পুলিশ এসব অতৎপরতা চালাচ্ছেন। নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনার কোনো পরিবেশ নেই। দলীয় নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। প্রচার মাইক ভেঙে চুরে দেওয়া হচ্ছে। এমনকি কোনো কোনো স্থানে বিএনপি নেতা-কর্মীদের মারপিটের ঘটনাও ঘটেছে।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সব দলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে বলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জাতির কাছে অঙ্গিকার করেছিলেন। আমরা আশা করেছিলাম জনগণের প্রত্যাশা পূরণে এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে আগামী দিনের গণতন্ত্র উদ্ধারের মাইল ফলক। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সেই কথায় আশান্বিত হয়ে ভেবেছিলাম এই নির্বাচনে যার ভোট সেই দেবে, যাকে খুশি তাকে দেবে। কিন্তু নির্বাচনে নেমেই দেখতে পাচ্ছি সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, সাতক্ষীরা-৩ সংসদীয় এলাকায় সরকার সমর্থিত প্রার্থী প্রচার প্রচারণা শুরু করলেও আমরা প্রচার চালাতে বাধার সম্মুখীন হচ্ছি। আমার প্রচার মাইক ভেঙে দেয়া হচ্ছে। মাইক কেড়ে নেয়া হচ্ছে। নির্মমভাবে প্রহর করা হচ্ছে প্রচারকারীদের। আমার ধানের শীষের পোস্টার ছিড়ে ফেলছে। কর্মী সমর্থকদের প্রতিনিয়ত হুমকি-ধামকি এবং পুলিশি হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। ওয়ারেন্ট ও মামলা না থাকা সত্ত্বেও আমার নির্বাচনী প্রচার কার্যের প্রধান নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। ধরে নিয়ে অস্ত্র হাতে দিয়ে পুলিশে সোপার্দ করে দিচ্ছে। জামিনে থাকা নেতৃবৃন্দকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে থানা ও ডিবি পুলিশ। গতপরশু আনুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি শওকত হোসেন, শ্রীউলার সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার আলী ভুট্রো, বুধবার খাজরা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ইউনুচ, শোভনালী জোট নেতা ইয়াহিয়া মান্নানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বধুবার দুপুরে জজ কোর্ট এলাকা থেকে আশাশুনি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল কুদ্দুসকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। একইভাবে বড়দল ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আজহারুল ইসলাম মন্টুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা না থাকা সত্ত্বেও আমার নির্বাচনী কাজে বাধা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে অতি উৎসাহী হয়ে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেছে। এছাড়া অন্যান্য নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ দেবহাটা ও আশাশুনিতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিএনপি নেতা-কর্মীদের খোঁজ নিয়ে আতংক সৃষ্টি করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, সকল রকম রীতি নীতি ও আইন এবং নির্বাচনী অধ্যাদেশ উপেক্ষা করে সাতক্ষীরা-৩ আসনে সরকার দলীয় এমপি’র কর্মকা- চলছে, যাতে প্রতিপক্ষ মাঠে থাকতে না পারে।
ডা. শহিদুল আলম আরও বলেন, দেবহাটায় ছাত্রদলের কামরুল ইসলাম ও ফিরোজ আহমেদসহ কয়েক নেতাকে মারপিট করেছে ক্ষমতাসীন দলের লোকজন। বিভিন্ন স্থানে ধানের শীষ প্রতীকের ব্যানার ফেস্টুন কেড়ে নেওয়া হয়েছে।
এ সময় তিনি অবাধে প্রচারের সুযোগ ও গণগ্রেফতার বন্ধ করে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির আহবান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে ডা. শহিদুল আলমের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি নেতা শেখ সিরাজুল ইসলাম, খায়রুল আহসান, তারিকুল হাসান, মো. ইসলামউদ্দিন, আশরাফুজ্জামান মুকুল, হাফিজুল ইসলাম প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *