ঢাকাFriday , 30 November 2018
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

মুক্তিযুদ্ধের লোগো যাবে

admin ঢাকা
আপডেট: 30 November 2018, 20:51

বিজয় ৭১
মুক্তিযুদ্ধে সাতক্ষীরা
শুরু হলো গৌরব আর বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই মাসে বাঙালি জাতির জীবনে এসেছিল এক মহান অর্জনের আনন্দ। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম শেষে এ মাসেই বাঙালি জাতি পেয়েছিল তাদের বহুল কাঙ্খিত বিজয়। ত্রিশ লাখ শহীদ আর দু’লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল স্বাধীনতা, একটি মানচিত্র, একটি পতাকা।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয় প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। বিশ্বের বুকে রচিত হয় এক নতুন ইতিহাস। বাংলাদেশ নামে মানচিত্র রচনা করার ইতিহাস। পাকিস্তানিদের ২৩ বছরের শোষণ, বঞ্চনা আর অত্যাচার-নির্যাতনের সমাপ্তি ঘটে এই ডিসেম্বরে।
প্রতিবছরের মতো এবারও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পুরো মাসজুড়ে বিজয়ের সেই আনন্দ উদযাপন করবে বাংলাদেশ। লাল-সবুজের পতাকা উড়বে দেশের আনাচে-কানাচে। সরকারি-বেসরকারি স্থাপনার পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়িতেও উড়তে দেখা যাবে বিজয় নিশান-বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। ১৬ ডিসেম্বর সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রেষ্ঠ সন্তানদের বিন¤্র শ্রদ্ধা জানাবে জাতি। তার আগে ১৪ ডিসেম্বর বেদনাভরে স্মরণ করবে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের।
সাতক্ষীরার মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা
মহান মুক্তিযুদ্ধে সাতক্ষীরা জেলার ছিল গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা। দেশের অন্যান্য স্থানের ন্যায় সাতক্ষীরার সকল শ্রেণী ও পেশার মানুষ মুক্তির আকাক্সক্ষায় হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিল, ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে জীবন মরণ যুদ্ধে।
১৯৭১-র ২৫ মার্চ থেকে সশস্ত্র যুদ্ধ শুরু হওয়ার অনেক আগে থেকেই সারাদেশ উত্তাল হয়ে উঠেছিল বিভিন্ন দাবিতে। ২ মার্চ পালিত হয় হরতাল, ৩ মার্চ ছিল বিক্ষোভ দিবস। এদিন পাকিস্তানি দোসরদের গুলিতে সাতক্ষীরাতে নিহত হয় রিকশা শ্রমিক আব্দুর রাজ্জাক। আহত হয় আরও অনেকে। স্বাধীনতা আন্দোলনে সাতক্ষীরার প্রথম শহীদ আব্দুর রাজ্জাকের নামানুসারে পরবর্তীতে শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত চিলড্রেন পার্কটিকে ‘শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক’ নামকরণ করা হয়েছে। ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। সাতক্ষীরার মানুষ সে ভাষণ শোনার জন্য অধীর আগ্রহে ছিল। ৮ মার্চ সকাল ৮ টার সংবাদের পর রাস্তার বিভিন্ন মোড়ে হাটে-বাজারে রেডিও নিয়ে গ্রামে-গঞ্জে সাতক্ষীরার মানুষ সমবেত হয়ে এই ভাষণ শোনেন এবং যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হতে থাকেন। ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার পর সারাদেশের ন্যায় সাতক্ষীরাতেও শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি। -চলবে (সূত্র : জেলা প্রশাসনের তথ্য বাতায়ন)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *