ঢাকাSaturday , 24 November 2018
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

চাকলায় বেড়িবাঁধ ভাঙনের ৩ দিন অতিবাহিত, দ্রুত সংস্কার দাবি

admin ঢাকা
আপডেট: 24 November 2018, 22:12

আশাশুনি (প্রতাপনগর) প্রতিনিধি: আশাশুনির প্রতাপনগর ইউনিয়নে চাকলার ভেঙে যাওয়া বাঁধ ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা।
শনিবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে তিনি চাকলার বেড়িবাঁধ এলাকা পরিদর্শন করেন।
সেখানে এলাকাবাসীর সহায়তায় গ্রামের কেয়ার রাস্তায় মাটি দিয়ে অন্য গ্রামে জোয়ারের পানি প্রবেশের পথ আটকে রাখা হয়েছে। তবে কপোতাক্ষ নদ সংলগ্ন হাইল চর সংলগ্ন চাকলা গ্রামের প্রায় আড়াই’শ বিঘার মৎস্যঘের ও তিন শতাধিক পরিবারের বসত ভিটায় এখনো জোয়ার ভাটা ওঠা নামা করছে। লোনা পানিতে এসব পরিবারের গবাদিপশু, ফসলাদি, পুকুর, গাছ-গাছালির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পানিবন্দি এসব পরিবারের মধ্যে খাবার ও রান্নার পানির কষ্ট দেখা দিয়েছে। তাছাড়া এসব এলাকার মাটির ঘরবাড়িতে বসত করা লোকজন চরম আতঙ্কে মানবেতর দিনাতিপাত করছেন। প্লাবিত অসহায় পরিবারদের মধ্যে অনেকেই শুকনো খাবারের দাবি জানিয়েছেন ।
এদিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধ ও ভাঙ্গন এলাকার প্লাবিত সর্বস্তরের মানুষের সার্বিক বিষয়ে খোঁজ খবর নেন। এসময় তিনি বলেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অতি দ্রুত বেড়িবাঁধ মেরামত ও এলাকার সকল ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ সংস্কার করা হবে।
তাছাড়া প্লাবণে ক্ষতিগ্রস্ত তিন শতাধিক পরিবারের মাঝে উপজেলা প্রশসনের পক্ষে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানে আশ্বাস দেন তিনি।
ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন বলেন, চাকলার এই হাইলচরের বেড়িবাঁধ দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক জরাজীর্ণ অবস্থায় আছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের কাছে বারবার সংস্কার দাবি করলেও তারা সংস্কার না করায় আজ এ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এলাকাবাসীর পক্ষে অনতিবিলম্বে হাইলচরের ভাঙনসহ এ ইউনিয়নের সকল ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ মেরামতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাবি জানান।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) কপোতাক্ষ নদের রাতের জোয়ারে প্রতাপনগর ইউনিয়নের চাকলা গ্রামের হাইলচর এলাকার বেড়িবাঁধ ভেঙে যায়। এতে নদী সংলগ্ন এলাকার তিন শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। তিন দিন অতিবাহিত হতে চললেও বাঁধটি আটকানো সম্ভব হয়নি। তবে পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন, ইউপি সদস্যসহ গ্রামবাসী বাঁধটি আটকানোর জন্য প্রচেষ্টা অব্যহত রেখেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *