ঢাকাSaturday , 3 November 2018
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সাথে মতবিনিময়: সাতক্ষীরাকে মডেল জেলা হিসেবে গড়ে তোলার অভিপ্রায় ডিসি মোস্তফা কামালের

admin ঢাকা
আপডেট: 3 November 2018, 22:50

ডেস্ক রিপোর্ট: বিদ্যমান সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে সম্ভাবনার পথ মাড়িয়ে সাতক্ষীরাকে মডেল জেলা হিসেবে গড়ে তোলার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন নবাগত জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল।
শনিবার বিকালে সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত ও মতবিনিময়কালে তিনি এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন।
এ সময় তিনি সম্পাদকদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, সাতক্ষীরায় সাংগঠনিকভাবে সাংস্কৃতিক কর্মকা-ের গোড়াপত্তন ঘটে শত বছর আগে। এখানকার সাংস্কৃতিক পরিষদও অত্যন্ত ঐতিহ্যবাহী। কিন্তু তা এখন দখলবাজির কবলে পড়েছে। সাতক্ষীরায় রয়েছে ঐতিহ্যবাহী ও অত্যন্ত সমৃদ্ধ পাবলিক লাইব্রেরি, রয়েছে অজ¯্র প্রতœতত্ত্ব সম্পদ, ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সুন্দরবন। এতো সব সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এখানকার প্রাণসায়ের খাল, নদ-নদী দখল হয়ে গেছে। অনেকগুলো অস্তিত্ব সংকটে।
জেলা প্রশাসক বলেন, সাতক্ষীরার ব্র্যান্ডিং করা হয়েছে, ‘সাতক্ষীরার আকর্ষণ, সড়ক পথে সুন্দরবন’। কিন্তু এ জেলার প্রত্যেকটি সড়কের খুব নাজুক অবস্থা। জেলার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে রেল লাইনের বিকল্প নেই। আমি এ জেলায় যোগদান করেই গোপনীয় প্রতিবেদনে রেললাইনের প্রয়োজনীয়তার কথা লিখেছি।
সাতক্ষীরায় ভূমি কেন্দ্রিক সিন্ডিকেট রয়েছে- ভূমিদস্যুরা নানাভাবে সরকারি জমি দখল করে রাজত্ব করছে। ভূমি ব্যবস্থাপনা ও অব্যবস্থাপনা- উভয়ক্ষেত্রেই পরিবর্তন করা হবে।
তিনি বলেন, সাতক্ষীরা কৃষি ও মৎস্য শিল্পে খুবই সম্ভাবনাময় একটি জেলা। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে বলা হয়েছে গতানুগতিক কাজ পরিহার করতে হবে, উদ্ভাবনী চিন্তার প্রসার ঘটাতে।
এ জেলার একটি বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের একটি সেমিনার আয়োজন করে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এছাড়া সাতক্ষীরায় একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্র স্থাপন, মাদক, ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
জেলা শহরের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত প্রাণসায়ের খালের প্রাণ ফেরাতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্থানীয়ভাবে কিভাবে প্রাণসায়ের খালকে বাঁচানো যায় সেটা নিয়ে আমাদের ভাবা দরকার। এই খালের মাধ্যমে শহরের জলাবদ্ধতা দূর ও সৌন্দর্য বাড়ানো সম্ভব।
তিনি বলেন, সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম হলো গণমাধ্যম। গণমাধ্যমের মুক্ত চিন্তা ও চিন্তার স্বাধীনতার মাধ্যমে সমাজ এগিয়ে যায়। আমি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গঠনে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। এজন্য গণমাধ্যমে সহযোগিতা সবচেয়ে বেশি দরকার।
সাতক্ষীরা স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক শাহ আব্দুল সাদী ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনিন্দিতা রায়ের উপস্থিতিতে মতবিনিময় সভায় সম্পাদকবৃন্দ সাতক্ষীরার সমস্যা-সম্ভাবনা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক পত্রদূতের উপদেষ্টা সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি.এম নুর ইসলাম, দক্ষিণের মশাল সম্পাদক আশেক-ই-এলাহী, সাতনদী সম্পাদক হাবিবুর রহমান, আজকের সাতক্ষীরা সম্পাদক মহাসিন হোসেন বাবলু, যুুগের বার্তা সম্পাদক আবু সাইদ, সুপ্রভাত সাতক্ষীরা’র নির্বাহী সম্পাদক শেখ তানজির আহমেদ, কাফেলার বার্তা সম্পাদক এম রফিক, সাপ্তাহিক সূর্যের আলো সম্পাদক ওয়ারেশ খান চৌধুরী, মুক্ত স্বাধীন সম্পাদক আবুল কালাম, জেলা তথ্য অফিসার মোজাম্মেল হোসেন প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *