ঢাকাTuesday , 30 October 2018
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

বিদ্যুৎ সংযোগের নামে ঘুষ গ্রহণ, ফেরত চাওয়ায় মারপিট করলেন ইউপি সদস্য

admin ঢাকা
আপডেট: 30 October 2018, 21:44

ডেস্ক রিপোর্ট: কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের পারুলগাছা এলাকায় বিদ্যুত সংযোগ দেওয়ার নামে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সাথে ঘুষের টাকা ফেরত চাওয়ায় এক ব্যক্তিকে মারপিট ও জীবননাশের হুমকি দিয়েছেন ওই ইউপি সদস্য। এ ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কালিগঞ্জের পারুলগাছা এলাকার সামছুর মোড়লের ছেলে শিমুল মোড়ল।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি একজন কৃষক। ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে আমিসহ অত্র গ্রামের ৪০টি পরিবার বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়ার জন্য বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের গনি মোড়লের ছেলে ইউপি সদস্য আফছার, একই গ্রামের মাজেদ গাজীর ছেলে শাহাজান গাজী, মাহিন্দ্র সরদারের ছেলে দীপঙ্কর সরদার, মৃত মনোরঞ্জন মন্ডলের ছেলে তাপস মন্ডলের কাছে বাড়ি প্রতি ছয় হাজার টাকা করে দেই। টাকা নেওয়ার সময় তারা ২০১৮ সালের রোজার ঈদের আগে বাড়ি বাড়ি মিটার লাগিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আশ^াস দেয়। নির্ধারিত সময়ের পর তিন মাস পেরিয়ে গেলেও বিদ্যুত সংযোগ না পাওয়ায় আমিসহ ৩৮ জন পাটকেলঘাটা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ম্যানেজার বরাবর ২০/৯/১৮ তারিখে অভিযোগ দায়ের করি। বিষয়টি জানতে পেরে আফছার মেম্বরসহ ঘুষ গ্রহীতারা আমাদেরকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দেয়।
তিনি আরও বলেন, পল্লী বিদ্যুতের জোনাল ম্যানেজারের কাছ থেকে কোন প্রতিকার না পাওয়ায় আমরা ভুক্তভোগী ৩৮ জন সদস্য কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করি। গত ২৩/১০/১৮ তারিখে ৩৭ জনের মিটার দেওয়া হলেও আমি, ইদ্রিস ও সখিনার সংযোগ দেওয়া হয়নি। আমরা মেম্বর আফছার উদ্দিন মোড়লের কাছে জানতে চাইলে তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, যারা তোদের পাটকেলঘাটা পল্লী বিদ্যুত ও ইউএনও‘র কাছে পাঠায়াছিল তাদের কাছে যা। গত ২৯/১০/১৮ তারিখে সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আমি পারুলগাছা বাজারে আসলে মেম্বর আফছার সেখানে আসে। আমি তার কাছে বিদ্যুত সংযোগ দেওয়া ছয় হাজার টাকা ফেরত চাই। এসময় সে টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে আমাকে এলোপাতাড়ি কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে জখম করে। পাশে অবস্থান করা ইসলাম গাজী, ইদ্রিস, মান্নানসহ কয়েকজন প্রতিবাদ করায় আফছার মটোর সাইকেলে দ্রুত চলে যায়। এসময় স্থানীয়রা আমাকে এক ডাক্তারের কাছে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়।
এ ব্যাপারে তিনি ঘুষখোর আফছার মেম্বরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ সুপারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *