নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা শহরের অদূরে আলিপুর বাকালআটি এলাকায় জোরপূর্বক শ্মসানের জায়গা দখলের উদ্দেশ্যে শ্মসানের প্রাচীর ভাঙচুর করেছে মো. সিরাজদৌলা সবুজ ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী। শনিবার বেলা ১টার দিকে আলিপুর বাকালআটি শ্মসানে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর ওই এলাকার মৃত রাখাল চন্দ্র সরকারের ছেলে শংকর কুমার সরকার বাদী হয়ে সিরাজদৌলা সবুজের নাম উল্লেখ করে আরো ১০ থেকে ১২ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ‘স্থানীয়দের আদি পূর্ব পুরুষের সময় থেকে আলিপুর বাকালআটি শ্মসানটি ওই এলাকার সনাতন ধর্মীয় লোকজান ব্যবহার করে আসছে। শ্মসান রক্ষার্থে এলাকাবাসী উক্ত শ্মসানের কিন পাশে পাকা প্রাচীর দিয়ে শ্মসানটি ব্যবহার করছে। সম্প্রতি কয়েক বছর যাবৎ আলিপুর সরদার পাড়ার মৃত আফছার সরদারের ছেলে সিরাজদৌলা সবুজ তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে উক্ত শ্মসানের জায়গা জবরদখলের পায়তারা করে এবং শ্মসান কমিটির লোকজনকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছিলো।
তারই ধারাবাহিকতায় গত ২১ মে বেলা ১টার দিকে সিরাজদৌলার নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জন সন্ত্রাসী হাতুড়ি, শাবল, কুড়ালসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জোরপূর্বক শ্মসান এলাকায় প্রবেশ করে শ্মসানের প্রাচীর ভাঙচুর করে। আমিসহ স্থানীয়রা তাদের জবরদখল কর্মকান্ডে বাধা দিতে আসলে অস্ত্র হাতে আমাদেরকে ধাওয়া করে। প্রাণে বাঁচতে আমরা সেখান থেকে পালিয়ে বাচি। শ্মসানের প্রাচীর ভাঙচুর শেষে ওই সন্ত্রাসী বাহিনী মোটরসাইকেলে করে এলাকায় প্রবেশ করে নিরীহ মানুষদেরকে খুন জখমের হুমকি দিয়ে আসে’।
জানা গেছে এ ঘটনার পর সন্ত্রাসী বাহিনীর মূল হোতা মো. সিরাজদৌলা সবুজ ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে স্থানীয় নিরীহ জনতা আতঙ্কে দিনাতিপাত করছেন। এ বিষয়ে তার প্রশাসনের ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ‘অভিযোগের তদন্ত চলছে। ঘটনার সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে’।
