আহসান উল্লাহ বাবলু, আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার কাকড়াবুনিয়া গ্রামে একটি মহল প্রভাব খাটিয়ে অন্যের মালিকানা জমি বিএস রেকর্ড প্রস্তুত হওয়ার পরও জবর দখলের অব্যাহত রেখেছে।
জানা গেছে কালিগঞ্জ উপজেলাধীন কালিকাপুর গ্রামের মৃত বশির উদ্দীন গাজীর ছেলে শমসের গাজী আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের লাঙ্গলদাড়ীয়া মৌজার এস,এস ৯৪নং খতিয়ানের সাবেক ৪৫৫ ও ৪৫৬ দাগে ৪একর ৫২শতক জমি ক্রয় করেন।
এ দিকে উক্ত জমি ১৯৯২সালে বন্দকাটি গ্রামের মৃত কুরবান আলী মোড়লের ছেলে বিশিষ্ট মৎস্য ব্যবসায়ী জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হাজী আব্দুস ছাত্তার মোড়ল ব্যবসায়ী পার্টনার শমসের এবং ডিডমুলে সহস্রাধিক বিঘা জমির মৎস্য ঘের শুরু করে। সেই থেকে অদ্যাবধি কাকড়াবুনিয়া গ্রামে বিসমিল্লাহ নামক একটি মৎস্য ঘের পরিচালনা করে আসছে।
এর মধ্যে অর্থাৎ গত ইং ২০১৫ সালে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের নেতা আফসার আলীর যোগ সাজসে তৎকালীন ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা এটিএম আইনুল হক অর্থের বিনিময়ে নিয়ম বহির্ভূত বেওয়ারিশ সম্পত্তি হিসাবে ৯২(ক) ধারায় ০১নং খাস খতিয়ানভুক্ত করেন। এরপর চলমান জরীপের ৪৯৫ ডিপি এবং হাল ১১২৫নং দাগে বিএস রেকর্ড প্রকাশিত হয়েছে । বর্তমানে বাংলা ১৪২৮ সনের জন্য আফছারসহ ৯জন একসনা ইজারা নেওয়ার জন্য আবেদন করেছে বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীন সুলতানার সাথে কথা হলে তিনি বলেন একসনা ইজারা নেওয়ার জন্য আফসারসহ ৯জন আমার দপ্তরে আবেদন করেছে। যাচাই বাছাই করে দেখেছি এসকল জমি বিএস রেকর্ড প্রস্তুত হয়েছে। অচিরেই গেজেট প্রকাশিত হলে অন লাইনে চলে আসবে। আর আসলেই আমাকে খাজনা নিতে হবে। তিনি আরও বলেন বিএস রেকর্ড সংশোধন ছাড়া আমি বর্তমানে এ সকল জমি একসনা ইজারা দিতে পারি না।
