নিজস্ব প্রতিনিধি: জমির তথ্য গোপন করে ও ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে ২ একর ১৭ শতক জমির মিউটেশন করে নিয়েছে একটি জালিয়াত চক্র। সাতক্ষীরা সদর ভূমি অফিস থেকে মিউটেশন করে নিয়ে তারা ক্ষান্ত হয়নি। ওই ভূমি দস্যুরা সদর উপজেলার কুকরারী বিলের ওই জমি অন্যাত্র বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা হাতিয় নেয়ার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, সদর উপজেলার কুখরারলি গ্রামের মরহুম নেয়ামুদ্দীনের পুত্র মো: নজরুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, কণ্যা ফতেমা খাতুন ও মসুমা খাতুন পৈতৃক সূত্রে কুকরালি মাঠে দুই একর ১৭ শতক বিলান জমি প্রাপ্ত হন।
জমির মালিকরা শান্তিপ্রিয় মানুষ হিসেবে ওই জমি অদ্যবধি ভোগ দখলে থেকে মাছ চাষ ও কৃষি ফসল ফলিয়ে আসছেন। এরই মধ্যে ওই জমিটির উপর শকুনের চোখ পড়ে এলাকার সংঘবদ্ধ একটি জমি জালিয়াত চক্রের।
এলাকায় ভূমি দস্যু ও জমি জালিয়াত চক্র হিসেবে পরিচিত মৃত আবুল কাশেমের পুত্র জাহিরুল ইসলাম, কবিরুল ইসলাম, ফরিদুল ইসলাম, শাহিনা আক্তার বানু, শামিমা আক্তার বানু, মিয়াসাহেবেরডাঙ্গীর আব্দুস সাত্তার, বাটকেখালীর হোসেন আলী, সখিপুরের আনজুয়ারা বেগমরা আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাল জালিয়াতীর মাধ্যমে জমিটি মিউটিশেন করে নেয়।
তদন্তে আরও জানা গেছে, ৭৮৫৮ নং মিউটেশন কেসে জমির মূল মালিকদের প্রতি কোন প্রকার সমন জারি না করে গত ২৭-০৬-২১ তারিখে আদেশ করিয়ে নেয়া হয়েছে। বিষয়টি জানা জানি হলে জমির প্রকৃত মালিকরা এস এ অ্যাক্ট’র ১৫০ ধারার বিধান মতে ২৩২৮ নং খতিয়ানের ৭৮৫৮ মিউটেশন কেস বাতিল করার জন্য মোছা: ফাতেমা খাতুন লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। যার বিপরীতে সাতক্ষীরা সদর সহকারি কমিশনার (ভূমি) দুই পক্ষকে যাথাযথ প্রমন নিয়ে তার কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন। জমির মূল মালিকরা জানান, উক্ত জমি জালিয়াত চক্রটি বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদর্শন করে আসছে। তারা ওই জমিটি দখল নেয়ার চেষ্টাসহ বিক্রয় করার জন্য তৎপরতা অব্যহত রেখেছে। জমিটি ফেরত নিতে হয়ে তাদেরকে ২৬ লাখ টাকা চাঁদা দিতে হবে বলেও ঘোষনা দিয়েছে। নানাবিধ কারণে জমির মালিকরা আতংকিত হয়ে পড়েছে। ওই ভূমি দস্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জণ্য আইন প্রয়োগকারি সংস্থার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।
