আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনির আনুলিয়া ইউনিয়নে বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম কুদ্দুছসহ ৫টি পরিবারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা অভিযোগ-মামলায় পরিবারের সদস্যরা নাজেহাল হয়ে পড়েছেন। এ ব্যাপারে ষড়যন্ত্রকারীর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
আনুলিয়া ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের মৃত আত্তাপ উদ্দিন গাজীর পুত্র মাসুদ রেজা দিং, মৃত ফেরদৌস গাজীর পুত্র মহসিন আলম দিং, মৃত এমান আলী গাজীর পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম কুদ্দুছ দিং, মৃত আঃ করিম গাজীর পুত্র আক্তারুজ্জামান ও মৃত মফিজ উদ্দিন গাজীর পুত্র আফজালুর রহমান দিং তাদের অপর শরীক মৃত মাহতাপ উদ্দিন গাজীর পুত্র আশরাফ দিংদের সমুদয় সম্পত্তি তাদের বাপ চাচারা ১৯৯২ সালে জরিপের সময় আপোষ বন্টননামার মাধ্যমে ভাগবাটোয়ারা করে নেন। এবং জমি নিয়ে আদালতে চলমান মামলা আর চালান হয়নি। সে অনুযায়ী জমির রেকর্ড ও গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। বাব-চাচাদের মৃত্যুর পর মৃত মাহতাপ উদ্দিন গাজীর পুত্র আশরাফ দিং ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে আপোষ বন্টননামা অমান্য করে ২০০৮ সালে মামলা চালু করেন এবং বিজ্ঞ আদালতে দোতরফা সূত্রে ডিগ্রী প্রাপ্ত হন। রায়ের বিরুদ্ধে মহসিন আলম দিং আপীল করলে মামলা চলমান রয়েছে।
রেকর্ড, গেজেট ও আপোষ বন্টননামা মোতাবেক প্রত্যেক শরীক ১২ শতক করে জমির মালিক। বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম কুদ্দুছ, মহসিন ও ওবায়দুলের ৩৬ শতক জমি আশরাফ ও আছাদুলের ডিগ্রীপ্রাপ্ত ৫৫ শতকের জমির কিছু অংশ দিয়ে ভাগ করে নেওয়া, যার রেকর্ড তাদের (গোলাম কুদ্দুছ দিং) নামে ও করাদিও তারা পরিশোধ করে আসছেন। আপোষ নামা মোতাবেক সকল শরিক তাদের পুরনো স্থাপনা বা দখল ছেড়ে দিয়ে নতুন স্থানে দখল নিয়েছেন। কিন্তু আশরাফ এখনো তাদের পুরনো পতিত ঘর সরিয়ে না নেওয়ায় সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। বহুদিনের পুরনো খুটির উপরে খড়ের ছাউনির চাল দুর্বল হয়ে পড়ে গেলেও তা না সরিয়ে উল্টো অন্য শরিকদের নামে উচ্ছেদের চেষ্টা, হুমকি ধামকী দেওয়ার অভিযোগ করা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম কুদ্দুছের পুত্র ও ভাই যারা পুলিশের কর্মকর্তা হিসাবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন তাদেরকে জড়িয়ে বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ করা এবং পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ ও সোস্যাল মিডিয়ায় নানা কুরুচিপূর্ণ ও অসত্য কথা ছড়িয়ে সম্মানহানি ও হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে দাবী করে ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ জানিয়ে ৫টি পরিবারের সদস্যরা ষড়যন্ত্রকারীর ব্যাপারে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামানা করেছেন।
