সমীর রায়: আশাশুনিতেও করোনা টেস্টে অনীহা মানুষের। পরীক্ষায় প্রচার পচারনা না থাকায় বেড়ছে সংক্রমণ। স্থানীয়রা জানান, করোনা পরীক্ষায় পজেটিভ হলে ডাক্তাররা হাসপতালে রেখে দেবে। সেখানে চিকিৎসা করতে অনেক টাকা লাগবে। এমন ভয়ে অনেকেই পরীক্ষার ধারে কাছেও যাচ্ছে না। জ্বর সর্দি কাশি নিয়ে হাটবাজারে ঘুরছে। অবস্থা মারত্মক খারাপ না হলে ডাক্তারও দেখাচ্ছে না।
খোজ নিয়ে জানা গেছে, আশাশুনিতে এখন ঘরে ঘরে জ্বর-সর্দির খবর পাওয়া যাচ্ছে। এখানে পরীক্ষার হার এতটাই নগন্য যে, গত এক সপ্তাহে আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনার পরীক্ষা করিয়েছেন মাত্র ২০ জন। নমুনা প্রদানে সবার ভেতরে এক ধরনের অনিহা দেখা যাচ্ছে। সর্দি-জ্বর হলে কেউ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও আসছে না চিকিৎসা নিতেও। গ্রাম্য ডাক্তারদের এসব রোগীর সামলাতে হচ্ছে।
সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ফার্মেসিতে মানুষের ভিড়ই প্রমাণ করে উপজেলা জুড়ে সর্দি-জ্বরের মারাত্মক পরিস্থিতি। গত বছরের ৪১ জন ধরে এবছর এখন পর্যন্ত ১৯২ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। ব্যাপক হারে করোনা পরীক্ষা না করলে পরিস্থিতি বেগতিক হয়ে যাবে বলে এলাকা বাসি মনে করছেন। এজন্য সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে করোনা টেস্টের জন্য প্রচার প্রচারণা করা অতিভ জরুরী।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুদেষ্ণা সরকার জানিয়েছেন-সর্দি-জ্বর কাশির খবর উপজেলার সব জায়গা থেকে আসছে। আমরা কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো থেকে ওষুধ গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছি। লকডাউন, আইসোলেশন ও সামাজিক বাধ্যবাধকতার ফলে এলাকার মানুষের মধ্যে নমুনা প্রদানে এক ধরনের অনীহা তৈরি হয়েছে। তারপরও উপজেলায় যেখানে খবর পাচ্ছি আমাদের করোনার নমুনা সংগ্রহকারী টিম সেখানে পৌঁছে নমুনা সংগ্রহ করছেন।
