নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা কুখরালীতে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পুকুর মালিকের দাবি। গত শনিবার দিবাগত রাতের কোন এক সময় এ ঘটনা ঘটে বলে সাতক্ষীরা পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কুখরালি আমতলা এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হাকিম ও তার পরিবারের সদস্যরা ধারণা করছেন। এ ঘটনায় সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
আব্দুল হাকিমের ছেলে শহীদুজ্জামান শিমুল জানান, কুখরালী গ্রামের মো. মোহাব্বত আলীর ছেলে আলতাবুল, আলতাবুলের স্ত্রী মইফুল ও এরশাদ বাটুলের ছেলে সাবুর আলী দীর্ঘদিন যাবত আমার পৈতৃক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। তবে কোনভাবে আমার পৈতৃক সম্পত্তি দখল করতে না পেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে আর্থিক ক্ষতি করেছে। এবছরই পুকুরে রুই, কাতলা, তেলাপিয়াসহ দেশীয় বিভিন্ন জাতের মাছ চাষ করেছি। কিছু দিনের মধ্যেই মাছগুলো ঘেরে ছাড়ার উপযোগী হয়ে উঠতো।
তিনি আরও জানান, শনিবার রাতে কুখরালী গ্রামের মো. মোহাব্বত আলীর ছেলে আলতাবুল, আলতাবুলের স্ত্রী মইফুল ও এরশাদ বাটুলের ছেলে কুখরালী এলাকার মামলাবাজ সাবুর আলীকে পুকুরের আশপাশে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। রবিবার সকাল থেকেই পুকুরের মাছ মরে ভেসে উঠতে থাকে। পরে পুকুরের সব মাছ মরে ভেসে উঠে।
প্রথমে আমরা গ্যাসের অভাবে মাছ মরে ভেসে উঠছে ভাবলেও সকালে পুকুরের পাড়ে একটি বিষের বোতল পড়ে থাকতে দেখি। পুকুরে বিষ প্রয়োগের কারণেই সব মাছ মরে ভেসে উঠেছে। এতে আমার প্রায় ৬০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
শহীদুজ্জামান শিমুল আরও বলেন, পুকুরে মাছের রেণু পোনা আকার দুই/আড়াশ’ গ্রাম ওজন হওয়ার পর ঘেরে ছাড়া হয়। এ ঘটনায় থানায় তিনি বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় এজাহার দায়ের করেছেন। এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেলোয়ার হুসেন জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
