ঢাকাTuesday , 6 April 2021
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

আশাশুনিতে ভাঙা রাস্তা সংস্কার ও বানভাসীদের পুনর্বাসনের দাবি


April 6, 2021 10:06 pm
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিনিধি : আশাশুনি সদরের দয়ারঘাটের খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া ৩ টি পয়েন্টের শেষ ক্লোজার চাপান দেওয়া হয়েছে। প্রায় ১১ মাস পরে বিকল্প রিং বাঁধের দুশ্চিন্তা ও লোনা পানির হাত থেকে রেহাই পেলো সদরের ৩ টি গ্রাম। তবে গত মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) এই রিং বাঁধ ভেঙে যে ক্ষতি হয়েছে তা থেকে সহজে রেহাই হবে না। পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও গোলাম রাব্বি হাসান তিনি বলেন- মানুষের মানবেতর জীবন-যাপন থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে নিতে আমরা যত দ্রæত সম্ভব বাঁধের কাজ শেষ করার চেষ্টা করছি। রবিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে ক্লোজারে বালি ভর্তি জিও বস্তা পেলে আটকানোর কাজ শেষ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত কাজ করে আমরা বালির বস্তা দিয়ে বাঁধের ৯০ ভাগ সম্পন্ন করে দিয়েছি।

এখন গোণ নেই তাই রাতে জোয়ারের পানি আর উঠবে না। বুধবার (আজ) সকাল থেকে কাজ করে বাকি কাজ শেষ করে আমরা বরাদ্দকৃত ৫৩৫ মিটার দৈর্ঘ্যরে স্থায়ী টেঁকসই মূল বাঁধের কাজে হাত দেবো। এছাড়া জেলেখালী গ্রামের নিমতলার ২৫০ মিটার নির্মাণ কাজে সাড়ে ১৮ লক্ষ টাকা এবং নিমতলা থেকে মানিকখালী ব্রীজ পর্যন্ত ৭০০ মিটার বেড়ি বাঁধ নির্মাণের জন্য ৪১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। সে কাজও শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান। এদিকে রিং বাঁধ ভেঙে যে লোনা পানি গ্রামের ভেতর ঢুকেছিল সে পানি পুকুর বা নিচু জায়গায় সেভাবেই রয়ে গেছে। বিষাক্ত পানি আর পচা মাছের দুর্গন্ধে বাড়িতে থাকা মুশকিল হয়ে গেছে। মানুষের গোসল ও রান্নার পানি নেই। দ্রæত এসব পুকুরের পানি সেঁচে নিষ্কাশন করা না হলে পানিবাহিত রোগ বালাই লেগেই থাকবে। যোগাযোগ ব্যবস্থা নষ্ট হয়েছে সেই আম্পানের পর থেকেই।

কারণ নদী ভাঙনের ফলে দয়ারঘাট-আশাশুনি সদরের যাওয়ার প্রধান কার্পেটিংয়ের সড়কটিতে মাটি ফেলে রিং বাঁধ দেওয়া হয়। কোন গাড়ি বা ভ্যান চলাচল করতে না পারলেও রাস্তাটি ভালো ছিলও। কিন্তু গত মঙ্গলবারের ভাঙনে আর শেষ রক্ষা হয়নি। ১ কি.মি. রিং বাঁধের ভেতরে ৫ জায়গায় ভেঙে গভীর খাদের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া পঞ্চানন বিশ্বাসের বাড়ির সামনে থেকে বলাবাড়িয়া ওয়াপদা রাস্তা পর্যন্ত ইটের সোলিংটি একেবারে ভেসে যাওয়ায় সুপেয় পানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল বহনে নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে। দ্রæত এসব রাস্তা মেরামত করা না হলে গ্রামটি দুর্গম এলাকায় পরিণত হবে। গৃহনির্মাণ করে পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন বানভাসীদের প্রসঙ্গত, গত বছরের ২০ মে সুপার সাইক্লোন আম্ফানের তান্ডবে প্রতাপনগর, শ্রীঊলার মত আশাশুনি সদরের দয়ারঘাট বেড়ী বাঁধ ভেঙে এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। অজ্ঞাত কারণে দীর্ঘ ১০ মাসেও বাঁধ রক্ষার কাজে হাত দেওয়া হয়নি। এলাকার একটি বড় অংশ বাইরে রেখে পিচের রাস্তা দিয়ে রিং বাঁধের মাধ্যমে বাকি এলাকাকে জোয়ারের পানির হাত থেকে রক্ষা করা হয়েছিল। এ বছরের ৩০ মার্চ খোলপেটুয়া নদীর জোয়ারের পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় রিং বাঁধ ভেঙে পুনরায় সদর ইউনিয়নের ৩টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে যায়। অনেক পরিশ্রমের বিনিময়ে ভাঙন কবলিত রিং বাঁধ রক্ষার কাজ সম্পন্ন হয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।