ঢাকাWednesday , 26 August 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

আশাশুনির চিংড়ি সম্পদ ধ্বংসের পথে দ্রুত টেঁকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি চিংড়ি চাষিদের

admin
August 26, 2020 9:30 pm
Link Copied!

সমীর রায়, নিজস্ব প্রতিনিধি : আম্পানের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামত না হওয়ায় আশাশুনির চিংড়ি সম্পদ ধ্বংসের পথে। আম্পানে উপজেলার খোলপেটুয়া ও কপোতাক্ষ নদের ২৪ কি.মি. বেড়ি-বাঁধ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে শত-ভাগ জলমগ্ন হয়ে পড়ে প্রতাপনগর ও শ্রীউলা ইউনিয়ন। এছাড়া আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয় আশাশুনি সদর ইউনিয়নের। উপজেলায় ১৭ হাজার ৪শ’ হেক্টর জমিতে চিংড়ি চাষ হয়ে থাকে। যার প্রায় ৮৫ ভাগ চাষ হয় প্রতাপনগর, শ্রীউলা ইউনিয়ন ও আশাশুনি সদরে। প্রতাপনগর ও শ্রীউলা ইউনিয়নে জোয়ারভাটা চলতে থাকলেও আশাশুনি সদর ইউনিয়ন ছিল প্রায় এর প্রভাবমুক্ত। কিন্তু গত কয়েক দিনের অতি-বর্ষণ ও গত অমাবস্যা গোনে নিন্মচাপের প্রভাবে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শুক্রবার শ্রীউলা ইউনিয়নের মহিষকুড়ের গ্রামের রাস্তা ছাপিয়ে আশাশুনি সদরের খাসেরাবাদ, কমলাপুর, ডাসেরআটি, ঠাকুরাবাদসহ প্রায় ১৪টি গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়। উপজেলা মৎস্য অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ‘প্রতাপনগর, শ্রীউলা ও আশাশুনি ইউনিয়নে চিংড়ি ঘেরের প্রায় শত-ভাগ ক্ষতি হয়েছে। এ এলাকার মানুষের আয়ের প্রধান উৎস চিংড়ি চাষ। কিন্তু এখন নদীর জোয়ার ভাটায় এ বছর আর চিংড়ি মাছে কোন আয়ের কোন আশা নেই বললেই চলে। ছোট বড় সব চিংড়ি চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোটি কোটি টাকার লোকসান হয়েছে এসব মৎস্য চাষিদের’। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহাগ খান জানান, ‘আম্পানে ২৪ কি.মি. বেড়ি-বাঁধ, ৩০ কি.মি. কাঁচা রাস্তা ও প্রায় ২০ কি.মি. পাকা সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। জোয়ারভাটা চলতে থাকায় এরমধ্যে প্রতাপনগর, শ্রীউলা ও আশাশুনির রাস্তাগুলো আবার নতুন করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে’। কৃষি অফিসার রাজিবুল হাসান জানান, ‘অতি বর্ষণে উপজেলার ৬ হেক্টর জমির সবজি পচে বিনষ্ট হয়েছে। প্রতাপনগর, শ্রীউলা ও আশাশুনিতে লোনা পানির জোয়ারভাটা চলতে থাকায় এ তিনটি ইউনিয়নে সবজি চাষ ও বন্ধ হয়ে গেছে’।
এলাকার চিংড়ি চাষিদের সাথে কথা বললে তারা জানান, ‘আম্পানে নদী ভেঙে আমরা সর্বশান্ত হয়ে গেছি। আগামী কত বছরে যে এ ক্ষতি পূরণ হবে তা জানা নেই। “আমরা এণ চাই না আমরা প্রতিবছর নদী ভাঙনের হাত থেকে পরিত্রাণ চাই”। টেঁকসই বাঁধ নির্মাণ হলেই আমরা আবার চিংড়ি চাষে দেশের উন্নয়নে হাত বাড়াতে পারব’।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।