কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নে আদালতের আদেশ অমান্য করে চাচা ও ফুফুদের রেকর্ডীয় সম্পত্তিতে মার্কেট নির্মাণের চেষ্টা চালাচ্ছে রাজাকার আব্দুল্লাহ আল বাকির তিন পুত্র। আদালতে করা মামলা আরজি অনুযায়ী জানা যায়, আলিপুর ইউনিয়নের মরহুম মাও. আহম্মদ আলীর দুই পুত্র আব্দুল্লাহ আল বাকি ও ড. আসাদুল্লাহ আল গালিব ও চার মেয়ে যথাক্রমে ফতেমা খাতুন, আয়শা খাতুন, জামিলা খাতুন ও মাফুজা খাতুন। আলিপুর মৌজায় ১২২১নং খতিয়ানে ১৮১৯১, ১৮১৯২ ও ১৮১৯৪ তিন দাগে ১ একর ৫ শতক জমির মধ্যে নালিশী ৫১ শতক জমি অংশ মোতাবেক দুই ভাই ও চার বোনের নামে রেকর্ড হয়।
ইতিপূর্বে ড. আসাদুল্লাহ আল গালিব চার বোনের মধ্যে দুই বোনের অংশ খরিদ মূলে মালিক হয়। সেই হিসাব অনুযায়ী ড. আসাদুল্লাহ আল গালিব সহ অপর দুই বোন নালিশী ৫১শতক জমির মধ্যে সাড়ে ৩৭ জমি ভোগ দখল করতে থাকে। হঠাৎ রাজাকার পুত্ররা সন্ত্রাসী কায়দায় ৫১ শতক জমির মধ্যে ৩২ শতক জমি জবর দখল করে মার্কেট নির্মাণ শুরু করে। চাচা ও অপর দুই ফুফুর নিষেধ অমান্য করলে বাধ্য হয়ে তারা আইনের আশ্রয় নেয়। ড. আসাদুল্লাহ আল গালিব ও মৃত দুই বোনের ওয়ারেশরা বাদী হয়ে ইং- ৩০/০১/২০২০ তারিখে বিজ্ঞ আদালতে মামলা করে। যার স্মারক নং- ১৬২।
বিজ্ঞ আদালতের আদেশে উক্ত নালিশী সম্পত্তির উপর শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে মার্কেট নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। কয়েক মাস বন্ধ রাখার পর সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে রাজাকার পুত্ররা পুনরায় মার্কেট নির্মাণ কাজ শুরু করে। চাচা ও দুই ফুফুর ওয়ারেশেরা নির্মাণ কাজে বাধা দিতে গেলে রাজাকার পুত্ররা তাদেরকে খুন করে ফেলবে বলে বিভিন্ন হুমকি দেয়। প্রাণ ভয়ে তারা মোবাইল ফোনে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করলে তিনি দুইজন এস. আই পাঠিয়ে আবারও নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন। মামলার বাদীরা বলেন, আইনের মাধ্যমে আমাদের রেকর্ডীয় সম্পত্তি যাহাতে আমরা ফিরে পেতে পারি তাহার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
