নিজস্ব প্রতিনিধি : আশাশুনির কুল্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বাছেত আল হারুন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ত্রাণ, প্রকল্পের চাল ও পরিষদের বিভিন্ন অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন পরিষদের সকল (১২ জন) সদস্য। সোমবার (১ জুন) সকালে তারা প্রতিকার প্রার্থনা করে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। মেম্বারবৃন্দের অভিযোগ, ‘করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে বিতরণের জন্য যে ত্রাণ ও অর্থ প্রদান করা হয়েছে সেগুলি চেয়ারম্যান স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে নিজস্ব লোককে দিয়েছেন এবং গোডাউন থেকে ত্রাণ সরিয়েছেন’। চেয়ারম্যান ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ইউনিয়ন পরিষদের মাঠ ভরাটের নামে ৭ মে.টন চাল আত্মসাৎ, ২য় পর্যায়ে মহাজনপুর বিলগামী রাস্তা প্রকল্পের নামে ৭ মে.টন চাল আত্মসাৎ, জন্মনিবন্ধন থেকে ৮০ হাজার টাকা, ট্রেড লাইসেন্স বাবদ ৩৫ হাজার টাকা, অডিট খরচ বাবদ ইউপি সদস্যদের থেকে ২৪ হাজার টাকা, সুপেয় পানি সরবরাহের নামে ১৭টি ট্যাংকির অনুক‚লে ১ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকার মত এবং ত্রাণ পরিবহণ খরচের নামে মেম্বরদের থেকে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বয়স্ক ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে অর্থ আদায়, ৬টি টিউবওয়েল, এডিপির ৫০ প্যাকেট ত্রাণ আত্মসাৎ এবং ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ত্রাণের নামে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ করেছেন মেম্বরবৃন্দ। বিষয়টি সরেজমিন তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদনকারীরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান হারুন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘মেম্বরদের যেমন নিজস্ব লোক আছে, আমারও কিছু নিজস্ব হতদরিদ্র লোক আছে। তাদেরকে ত্রাণ দিলে দোষ কি? তাছাড়া অন্যান্য অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও প্রতিহিংসামূলক বলে তিনি জানান।
