খাজরা (আশাশুনি) প্রতিনিধি : আশাশুনির খাজরায় কালকীর খালের কালকী ¯øুইজ গেট থেকে রাউতাড়া কালভার্ট পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে পলি জমে মরা খালে পরিণত হয়েছে। এতে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে ইউনিয়নের খালিয়া, পিরোজপুর, রাউতাড়া, গজুয়াকাটি, ফটিকখালীসহ আশপাশের প্রায় ৪ হাজার বিঘা আমন ধানের ফসল, মৎস্য ঘের ও বসতি এলাকা প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ এ খালটি পুনঃ খনন করার মাধ্যমে খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। খাজরা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জানা যায়, দুই বছর আগে কালকীর ¯øুইজ গেট থেকে গজুয়াকাটি কালভার্ট পর্যন্ত ১.১২ কিলোমিটার খালটি ২১ হাজার ৯শ’ ১৭জন শ্রমিকের মাধ্যমে খাজরা ইউনিয়ন পরিষদের সার্বিক সহযোগিতায় ও সলিডারিটিস ইন্টারন্যাশনাল ও গ্রামবাসীর বাস্তবায়নে খালটি খনন করা হয়। কিন্তু কালকীর খালের উৎস মুখ কপোতাক্ষ নদ হওয়ায়, নদের জোয়ারের পানি প্রবেশের সময় প্রচুর পরিমাণ পলিমাটি চলে আসে।
ফলে খালের বিভিন্ন স্থানে পলি জমে খালের তলদেশ উঁচু হয়ে স্বাভাবিক পানি সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। যার কারণে বর্ষা মৌসুম আসলেই ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার জন্য কালকীর খাল ও কালকীর ¯øুইজ গেটের কপোতাক্ষ নদের প্রবেশ মুখ পুনঃ খনন জরুরী হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
গজুয়াকাটী গ্রামের দুলাল চন্দ্র বৈদ্য বলেন, খালটি যদি পুনঃ খনন করে জনসাধারণের জন্য যদি উন্মুক্ত রাখা হয় তাহলে এলাকার শত শত মানুষ উপকৃত হবে। জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা পাবে আমন ফসল। এমতাবস্থায় খালটি পুনঃ খননের ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন সচেতন এলাকাবাসী।
