নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শম্ভুজিৎ মন্ডলের বিরুদ্ধে অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে ঘের দখল ও অর্থ আদায় সংক্রান্ত স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদ সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন উপজেলার কামালকাটি গ্রামের মজনুর রহমানের ছেলে মাহফুজার রহমান সিকারী। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান। গত ৪ মার্চ আ.লীগ নেতা শম্ভুজিৎ মন্ডলের বিরুদ্ধে কয়েকটি মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদ ভিত্তিহীন বলেও তিনি দাবি করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ১ নং শোভনালী ইউনিয়নের কামালকাটি মৌজায় বিভিন্ন দাগ খতিয়ানে মোট ৫ একর ১৫ শতক সম্পত্তির মধ্যে ৩ একর ২৫ শতক সম্পত্তির মালিক মৃত. এস,এম বসির আহমেদ। বাকি ১ একর ৯০ শতক সম্পত্তির মালিক গত ৩ মার্চ সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনকারি সত্যচরণ সরকার, চন্দ্রকান্ত বাছাড় ও মিলন গাজীর বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের দাবিকৃত সম্পত্তি একই মৌজার আর এস ৫৩৪ খতিয়ানের ১৮৬ ও ১৮৮ দাগে ১.৭২ একর, আর এস ২৯০ খতিয়ানে ৫৩৫ ও ৫৩৯ দাগে ০.৩৮ একর, আর এস ৮৮৩ খতিয়ানে ৯৫, ১০৫ ও ৫৩৫দাগে ২.৪৫ একর মিলে সর্বমোট ৪.৫৭ একর সম্পত্তি আমি মাহফুজার রহমান সিকারী ও আমার পরিবারের ভোগদখলীয় সম্পত্তি। তিনি আরো বলেন, উক্ত মৌজায় মৃত. এস,এম বসির আহমেদ এর কাছ থেকে আমি তার আপন সহোদর ভ্রাতা গংয়ের পক্ষ থেকে কামালকাটি মৌজায়, আর এস ৩৪৫ নং খতিয়ানের ১৮৪ , ১৭৭, ৭২, ৭১, ৭৩. ৬৮, ৬৯ দাগে ৪.৬৫ একর এবং মৃত আলেম মোড়লের ওয়ারেশগণের কাছ থেকে ০.৬৬ একরসহ মোট ৫.৩১ এর সম্পত্তির ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে মালেক সরকারের খাজনা দিয়ে ভোগদখল করে আসছি। এই অবস্থায় বিগত ২০ থেকে ২২ বছর আগে এই মৌজায় মাছের চাষ শুরু হওয়ার প্রথম থেকেই কয়েক হাজার বিঘা জমি একত্রে মাছের ঘের পরিচালনা স্বার্থে স্থানীয় অন্যান্য সম্পত্তির মালিকগণ ও জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সীমানা নির্ধারণ পূর্বক মাছের ঘের পরিচালনা করে আসছি। একইভাবে ওই মৌজার সকল জমির মালিকগণ এওয়াজ বিনিময়ের ভিত্তিতে প্রাপ্য জমির অংশে বেড়ি বাঁধ দিয়ে শান্তিপূর্নভাবে মাছের চাষ করে আসছে। কিন্তু কাউকে কিছু না জানিয়ে মিলন গাজী ও ভমিদস্যু জালাল গাজীর দুই সহযোগী চন্দ্রকান্ত বাছাড় ও সত্যচরণ সরকার আমাদের মাছের ঘেরে বেড়ি বাঁধ ভেঙে দিয়ে ঘেরের মধ্যে বেড়ি বাঁধ নির্মাণ করার চেষ্টাকালে আমাদের ইজারা গ্রহীতা সাজ্জাত হোসেন এবং লিটন মন্ডল বাধা সৃষ্টি করে। তারা যে ১.৯০ একর সম্পত্তি দাবি করে তা নিয়ে আদালতে দেওয়ানি ২২/১৮ নং মামলা চলমান আছে। আসলে উক্ত ব্যক্তিরা কোন জমির মালিক নয়। তিনি আরো বলেন, সাতক্ষীরা শহরের বসবাসের কারণে আমাদের সম্পত্তি সাজ্জাত হোসেন ও লিটনকে ইজারা প্রদান করি। গত ৪ মার্চ পত্রিকায় প্রকাশিত ঘটনার সঙ্গে আশাশুনি উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শম্ভুজিৎ মন্ডলের কোন সম্পৃক্ততা নেই।
