ডেস্ক রিপোর্ট : সাতক্ষীরার স্থানীয় একটি কুচক্রী মহলের মদদে শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদককে হয়রানি করতে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশনের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২৮ ফেব্রæয়ারি) বিকেলে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন উপজেলার পশ্চিমপাতাখালী গ্রামের আব্দুর রউফ গাজীর ছেলে পদ্মপুকুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. রাসেল আলম। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি বিগত ২০০৩ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত পদ্মপুকুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। আমার সময়ে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় থাকায় আমাকে ঘায়েল করতে কয়েকটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর আমি ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হলেও গ্রæপিং রাজনীতির কারণে আমাকে পদ না দিয়ে একজন অনুপ্রবেশকারীকে দেওয়া হয়। আমি ইতোপূর্বে কখনো মাদক, ভূমিদস্যুতাসহ কোন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলাম না। বর্তমানেও নই। দলের নাম ভাঙিয়ে এলাকায় জমি দখল, মাদকসহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আমাকে হয়রানি করার জন্য এ ধরনের মিথ্যে অভিযোগ তুলে স্থানীয় একাধিক পত্রিকায় একটি কাল্পনিক সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে। উক্ত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমি প্রকাশিত ওই সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। মো. রাসেল আলম আরও বলেন, এলাকায় আমার যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। আমি দীর্ঘদিন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে রাজনীতি করে আসছি। বর্তমানে এলাকায় মৎস্য ঘের পরিচালনা করে জীবিকা নির্বাহ করি। আমার দুই ছেলের মধ্যে বড়টি ১ম থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাসে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। ৫ম শ্রেণিতে গোল্ডেন এ-প্লাস পেয়েছে। একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তির সন্তানরা এভাবে মানুষ হতে পারে কি না আমার জানা নেই। তিনি বলেন, শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউল হক দোলনের সাথে আমি রাজনীতি করি। প্রতিদ্ব›দ্বী গ্রæপের পক্ষে না থাকায় তারা আমার বিরুদ্ধে এ ধরনের জঘন্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে। অথচ দলের জন্য বিএনপি-জামায়াতের সময় অনেক নির্যাতন সহ্য করেছি। এখন হাইব্রিডদের কারণে প্রতিহিংসার শিকার হচ্ছি। এদের কারণে আমাদের মত ত্যাগী প্রকৃত বঙ্গবন্ধু প্রেমীরা বঞ্চিত হচ্ছে।
একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকের বিরুদ্ধে মিথ্যে মাদক ও ভূমি দস্যুতার অভিযোগ দিয়ে সুবিধা আদায়কারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
