নিজস্ব প্রতিনিধি: বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত হওয়ার ৪ দিন পর ঢাকা মেডিকেলের বাণ ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর কাছে হার মানলেন হাফেজ ছাবের উদ্দীন (৪৪)। গত ৫ ফেব্রæয়ারী বুধবার হালখাতা উপলক্ষে মাইকের মাইক্রোফোন থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। এরপর হাফেজ ছাবের উদ্দীনকে বাঁচাতে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চাচাত ভাই মুদি ব্যবসায়ী শেখ নুর ইসলাম ওরফে নূরী (৪৮)।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ৫ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের রতেœশ্বরপুর গ্রামের শেখ রজব আলীর ছেলে শেখ নুর ইসলামের মুদি দোকানে হালখাতা ছিল। হালখাতা উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে দোকানে মাইক লাগিয়ে মাইক্রোফোন সংযোগ দিচ্ছিলেন হাফেজ ছাবের উদ্দীন। মাইকটি বিদ্যুতের মূল সঞ্চালন লাইনের সাথে স্পর্শ করে থাকায় মাইক্রোফোনের মাধ্যমে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন হাফেজ ছাবের উদ্দীন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন শেখ নুর ইসলাম। গুরুতর আহত অবস্থায় হাফেজ ছাবের উদ্দীনকে উদ্ধার করে প্রথমে খুলনায় এবং পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেলের বাণ ইউনিটে ভর্তি করেন। সেখানেও অবস্থার অবনতি হতে থাকে। এক পর্যায়ে গত শুক্রবার তার ডান হাতের কনুইয়ের নীচের অংশ কেটে ফেলা হয়। কিন্তু তারপরও শেষ রক্ষা হলো না। বাণ ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সবাইকে হতাশ করে রবিবার (৯ ফেব্রæয়ারি) বেলা আড়াইটার দিকে না ফেরার দেশে চলে গেলেন এলাকা বাসীর প্রিয় ব্যক্তিত্ব হাফেজ ছাবের উদ্দীন। বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দু’জনের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোক বিরাজ করছে।
