নিজস্ব প্রতিনিধি: কালিগঞ্জ সদরে মতির এমএম প্লাজায় অবস্থিত প্রান্তি বিউটি পালারে ফেসিয়াল করতে এসে নিজের স্বর্ণালংকার খোয়ালেন এক নারী। এঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারীর পিতা মৌতলা ইউনিয়নের নামাজগড় গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (৪৫) থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বেলা আড়াইটার দিকে ভুক্তভোগী নামাজগড় গ্রামের মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ’র মেয়ে শারমিন সুলতানা (১৮) প্রান্তি বিউটি পার্লারে রুপচর্চার জন্য যায়। মুখে ফেসিয়াল করার আগে শারমিন সুলতানার পরিহিত স্বর্ণের নেকলেস ও কানের দুল খুলে প্রান্তি বিউটি পার্লারের মালিক রেক্সোনা পারভিনের কাছে দেয়। ফেশিয়াল শেষে ভুক্তভোগী ওই নারী সোনার গহনা ফেরত চাইলে পার্লারের মালিক ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে পার্লার থেকে বের করে দেয়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী শারমিন সুলতানা বিষয়টি তার পিতার কাছে জানালে তিনি বাদী হয়ে থানায় এজাহার দায়ের করেন। এরপর উপ-পরিদর্শক অনুপ কুমার ঘটনাস্থলে যেয়ে প্রান্তি বিউটি পার্লার সার্চ করাসহ পার্লারের মালিক রেক্সোনাকে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়। এদিকে প্রান্তি বিউটি পার্লারের মালিক’র বিরুদ্ধে একই অভিযোগ করেছেন উপজেলার কুশুলিয়া ইউনিয়নের মহৎপুর গ্রামের রবিউল ইসলাম। তিনি জানান, গত বছর তার স্ত্রী পার্লারে আসলে তার কাছে থাকা স্বর্ণের গহনাও চুরি করে নেয় এই রেক্সোনা। একই অভিযোগ করেন কালিগঞ্জে থাকা হিজড়া ঝুমুর। তিনি জানান, গত সপ্তাহে তিনি এ পার্লারে রুপচর্চার জন্য আসলে তার সাথেও একই ঘটনা ঘটায় বিউটি পার্লারের মালিক রেক্সোনা পারভীন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ পার্লারের আড়ালে এখানে বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকান্ড চলে। তার নামে কেউ কিছু বললে সে বিভিন্নভাবে ভয়-ভীতিসহ উপর মহলে বিরাট যোগাযোগ আছে বলে হুমকি প্রদান করে। এ ব্যাপারে থানার উপ-পরিদর্শক অনুপ কুমার জানান, অভিযুক্ত বিউটি পার্লারের মালিক রেক্সোনা পারভিনকে থানা হেফাজতে আনা হয়েছে। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
