আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে ৩৬ বছরের ভোগদখলীয় সম্পত্তি জবর দখলের পায়রাতার অভিযোগে এক বৃদ্ধের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৫ জানুয়ারি) বিকালে আশাশুনি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে খাজরা গ্রামের মোতালেব সরদারের ছেলে গোলাম মাওলা (৭১) লিখিত বক্তব্য পাঠ করে বলেন- খাজরা মৌজায় ২২৯ নং এসএ খতিয়ানের সাবেক দাগ ৪১২ এর হাল দাগ ১০৩৫, জমির পরিমাণ ৬৩ শতক, হালদাগ ১০৩৬ এ ১৬ শতক ও ১০০৫ দাগে ৩ শতক মোট ৮২ শতক জমির এসএ মালিক খাজরা গ্রামের মৃত রায়চরন মÐলের ছেলে মহেন্দ্র মÐলের ওয়ারিশ কেশব ও সুরেন্দ্র মÐলের কাছ থেকে ২৭ নভেম্বর’৮৪ সালে ৭৬২২ নং কোবলা মূলে উক্ত জমির মধ্যে ৬৬ শতক জমি ক্রয় করে দীর্ঘ ভোগদখলে আছি। এরপর উক্ত জমি আমি ও আমার ভাই ২২৯/১ নং নাম পত্তন করে ১৩৯৫ সন পর্যন্ত চেক দাখিলা কাটি। উক্ত এসএ ২২৯ নং খতিয়ানে মোট ৪.৬৮ একর জমি যার মধ্যে ৪ একর ‘ক’ তপশীলভূক্ত ও বাকি জমি ‘খ’ তপশীলভূক্ত। আমি ১/১ খতিয়ানের জমির মধ্যে ৬৬ শতক জমি অবমুক্ত করার জন্য ট্রাইব্যুনালে ২০১২ সালে ৪২৬/১২ নং মামলা রুজু করি। যার স্বাক্ষি গ্রহণ শেষে শুনানি চলমান আছে। খাজরা গ্রামের মিজানুর রহমানের স্ত্রী হালিমা খাতুন, মৃত ছহিল উদ্দীনের ছেলে শহীদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী সরবানু উক্ত ১/১ খতিয়ানের ৪১৩,২৯৫,৪১২,২৫৭,২৯৬ ও ২৯৭ দাগে ২.৫৮ শতক জমি ১৪২৬ বাংলা সনে (১১ নভেম্বর’১৯) ডিসিআর গ্রহণ করেন। তাদের জমি পূরণ থাকলেও তারা আমার ৩৬ বছরের ভোগদখলী জমির মধ্যে তাদের জমি আছে দাবি করে রবিবার (৫ জানুয়ারি) সকালে আমার ৬ বিঘা জমির মৎস্য ঘেরে নেটজাল দিয়ে ঘিরে ও মাটির বাঁধ দিতে থাকে। আমার স্ত্রী ফজিলাতুন্নেছা বাঁধা দিতে গেলে তাকে খুন জখমের হুমকি দিলে সে চলে আসে। আমি নিরুপায় ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে এবং প্রতিকার চেয়ে বিষয়টি লিখিতভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করেছি। বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য আমি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
