আশাশুনি (খাজরা) প্রতিনিধি: খাজরায় পুরো দমে শুরু হয়ে গেছে আমন ধানের ফসল ঘরে তোলার কাজ। কৃষক-কৃষাণীরা এখন নাওয়া খাওয়া ভুলে ব্যস্ত সোনার ফসল ঘরে তুলে নিতে। চারিদিকে সোনালী ধানের মৌ-মৌ গন্ধ এবং মেশিনে ধান মাড়াইয়ের শব্দে মুখরিত হয়ে উঠেছে গোটা খাজরা ইউনিয়নের গ্রামীণ জনপদ। ইউনিয়নের গ্রামগুলোতে কেবল সোনালী ধানের হাতছানি। বাড়ির আঙিনায় তিল ধারণের জায়গা নেই। সব খানেই সোনার ধান পালা দিয়ে রাখা হয়েছে। আবার কেউ কেউ শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে মাঠেই কুঁড়ে ঘর তৈরি করে ধান পাহারা দিচ্ছেন। শত কষ্টের মাঝে কৃষকের মুখে হাসি লেগে আছে। যদিও বুলবুল ঝড়ের কারণে কোন কোন জায়গায় কিছু ধান বিনষ্ট হয়েছে তবুও সব মিলিয়ে ফলন মোটামুটি ভাল হয়েছে বলা যায়। আশাশুনি উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার খাজরা ইউনিয়নে ১৮শ ৯৫ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে। দূর্গাপুর গ্রামের কৃষক শিবপদ মন্ডল জানান, এ বছর আমাদের একর প্রতি জমিতে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আর একর প্রতি ধান উৎপাদন হয়েছে ৩০মন। ধানের দাম সঠিক হলে সমান সমান হবে। যদি না হয় তাহলে সব কিছু হিসাব করলে আমাদের লোকসানই হবে। এছাড়াও ইউনিয়নের একাধিক কৃষক জানান এবছর আশানুরুপ ফসল হয়নি। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে আমাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। ইউনিয়নের কৃষকরা সময় মত সার, বীজ, কীট-নাশক পাওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ন্যায্য মূল্যে ধান ক্রয় করার আহবান জানিয়েছেন।
