ঢাকাSaturday , 2 November 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

জমির দখল চেষ্টাকে ভিন্নমত পোষণ করেছেন রেকর্ডীয় মালিক অমর রঞ্জন মন্ডল

admin
November 2, 2019 10:23 pm
Link Copied!

পাইকগাছা প্রতিনিধি: পাইকগাছা পৌর সদরের জমির দখল চেষ্টাকে কেন্দ্র করে ঘেরা-বেড়া ও সাইনবোর্ড ভাঙচুরের ঘটনায় ভিন্ন মত পোষণ করেছেন জমির স্বত্ব দখলীয় রেকর্ডীয় মালিক অমর রঞ্জন মন্ডল। ঘটনাটি পাইকগাছা পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড সরল গ্রামে। অমর রঞ্জন মন্ডল বলেন, পাইকগাছার সরল মৌজায় এস,এ ২২৯ নং খতিয়ানের ৫৯৯ সহ ৪টি দাগে ৫.৬৬ একর সম্পত্তির মালিক ছিলেন তালা উপজেলার কনেক ও মধুসুধন নামের দুই ভাই। সে ক্ষেত্রে প্রত্যেক ভাইয়ের ২.৮৩ একর সম্পত্তি মালিক থাকে। কনেকের নিকট থেকে আমি ১.৫০ একর, আমার মা কান্তি বালা .৬৬ একর এবং দেবেন্দ্র নাথ .৬৬ একর সম্পত্তি ক্রয় করেন। অপরদিকে, মধুসুধনের সম্পত্তি আমার দাদু সুরেন্দ্রনাথ মন্ডল ও জনৈক ভূষণ ১.৪১ একর করে সম্পত্তি ক্রয় করেন। উক্ত দুই ভাই সমুদয় সম্পত্তি থেকে হস্তান্তর বুঝে দেন। আমার দাদু সুরেন্দ্রনাথ মন্ডল তার সম্পত্তি হতে .৩৩ একর সম্পত্তি আমার পিতা মনোরঞ্জন মন্ডলের নিকট বিক্রয় করেন। বাকি ১.০৮ একর জমি তার ৬ পুত্র মনোরঞ্জন মন্ডল, অনিল মন্ডল, বিমল মন্ডল, নির্মল মন্ডল, শ্যামল মন্ডল ও উজ্জ্বল মন্ডল ওয়ারেশ সূত্রে প্রাপ্ত হন। সে ক্ষেত্রে প্রত্যেক সন্তান .১৮ একর সম্পত্তির মালিক হন। বিমলের পুত্র সন্ন্যাসী ও নিমাই তাদের অংশের .১৮ একর সম্পত্তি হতে জনৈক মকবুলের নিকট .১২ একর সম্পত্তি বিক্রয় করেন। যেখানে সে বসত বাড়ি নির্মাণ করে ভোগ দখলে আছে। বাকি .০৬ একর সম্পত্তি সরকার অধিগ্রহণ করে। বর্তমান জরিপে ৩৪নং ডিপি খতিয়ানে আমাদের নামে ১.৭৫ একর সম্পত্তি রেকর্ড প্রকাশিত হয়েছে। আমরা উক্ত সম্পত্তি ৫০ বৎসরের অধিক সময় ভোগ দখল আছি। সন্ন্যাসী-নিমাইয়ের যে .০৬ একর সম্পত্তি সরকার অধিগ্রহণ করেছে উক্ত সম্পত্তি রাস্তার পাশ হতে ভোগ দখল করার ইচ্ছা হলে তাদের বিক্রয়কৃত .১২ একর সম্পত্তির মাথায় আইনগত ভোগ দখল করার কথা। কিন্তু আমার নিজস্ব রেকর্ডীয় সম্পত্তিতে তারা শুক্রবার অবৈধভাবে আমার দেওয়ায় ঘেরা-বেড়া নিয়ে দখলের চেষ্টা করেছিল। এমনকি আমার সম্পত্তিতে একটি সাইনবোর্ড থাকলেও তা তারা ভেঙে ফেলে, অথচ সাংবাদিকদের নিকট মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে সম্পূর্ণ কাল্পনিক তথ্য তুলে ধরেছে। যা কয়েকটি আঞ্চলিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। উক্ত তথ্যের কোন ভিত্তি নেই। এছাড়া আমি আমার নিজস্ব সম্পত্তিতে গত ২ মাস ধরে বালি ভরাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য ঘেরা-বেড়া ও ঘর নির্মাণ পূর্বক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।