ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা শহরের প্রাণ সায়ের খাল ধারের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। একই সাথে সাতক্ষীরার প্রাণ এই খালকে উন্মুক্ত ও দূষণ মুক্ত করে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে আইন অনুযায়ী সব ব্যবস্থা নেওয়া হলেও ব্যবসায়ীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন সে বিষয়টিও নিশ্চিত করা হবে। বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল তার সম্মেলন কক্ষে এক জরুরী সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সাতক্ষীরায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব হ্রাস পেয়েছে। ডেঙ্গু বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, পরিবেশ বান্ধব সাতক্ষীরা গড়ে তোলার লক্ষে এরই মধ্যে ‘ক্লিন সাতক্ষীরা গ্রিন সাতক্ষীরা’ সামাজিক আন্দোলন শুরু হয়েছে। একটি মহল খাল ধারের দোকানপাট ও অন্যান্য স্থাপনা উচ্ছেদে বাধা হয়ে দাঁড়াতে চায়। এমনকি ব্যবসায়ীরাও তাদের ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করে প্রাণ সায়ের খাল রক্ষায় প্রশাসন কাজ করছে। প্রাণ সায়ের খাল ধারে দেওয়া দোকান বন্দোবস্ত বাতিলের জন্য এরই মধ্যে সাতক্ষীরা পৌর কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তারা জরিপ করে ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছেন। পৌরসভা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ব্যর্থ হলে আইন অনুযায়ী তাদের সরিয়ে অন্যত্র পুনর্বাসন করা হবে। জেলা প্রশাসক আরও বলেন, জেলার সব নদী খালের ইজারা বাতিল করা হয়েছে। এসব জলাধার সংস্কার ও খনন পুন:খননে ৬৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আরও টাকা বরাদ্দ আসবে বলে সরকারের অনুমতি পাওয়া গেছে। এরই মধ্যে নদী খাল থেকে সকল নেট পাটা অপসারণ কাজ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা আমাদের অর্থনৈতিক শক্তি, তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলার সকল অবৈধ চিংড়ি ঘের বন্ধ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। জেলায় জুয়া এবং ক্যারাম বোর্ডের আড়ালে অবৈধ জুয়া বন্ধ করা হবে। এসব বিষয়ে তিনি সংবাদ কর্মী ও জনগণের সহায়তা কামনা করেন।
