ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় মেহেদি হাসান (২১) নামের এক বাসের হেল্পার নিহত হয়েছে। সে সদর উপজেলার ধুলিহর এলাকার মো. কামরুল হাসানের ছেলে। বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) আনুমানিক সকাল সাড়ে ১০ টায় শহরের ইটাগাছা পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কালিগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা সাতক্ষীরা মুখী বাসটি একটি পাথর বোঝাই ডাম্পার ট্রাককে অতিক্রম করার সময় বাসের হেল্পার পা পিছলে পড়ে যায়। এ সময় বাসের হেল্পার ওই ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সকাল সাড়ে ১১টায় হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সাতক্ষীরা বাস টার্মিনাল শ্রমিক ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ মো. আনিছুর রহমান বলেন, নিহত মেহেদি হাসান টার্মিনাল শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য। তাকে হাসপাতালে ১১টার পরে ভর্তি করা হয়। এ সময় হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কোন ডাক্তার ছিল না এবং নার্সেরা রক্ত দেওয়ার কথা বলে। আমরা সঙ্গে সঙ্গে রক্ত দেওয়ার জন্য রক্তদাতা হাজির হলে তারা জানায় হাসপাতালে রক্ত নেওয়ার ব্যাগ নেই। ডাক্তারের অবহেলা আর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কারণে মেহেদি হাসান মারা গেছে। এ বিষয়ে জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তামিমা হোসেন জানান, রোগী ভর্তি করার সাথে সাথে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। রোগীর গ্যাসের চাপ ছিল এবং তার শরীরের প্রিন্ট ডায়ালেটেড ছিঁড়ে যায়। আমি তার চিকিৎসা করেছি। রোগীর স্বজনরা যে অভিযোগ করছে তা সঠিক নয়। হাসপাতালে সিসি টিভি লাগানো আছে আপনারা সিসি টিভির ফুটেজ দেখতে পারেন। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
