আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে পাওনা টাকা চেয়ে চাঁদাবাজি মামলার আসামি হওয়ার প্রতিবাদে মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি পেতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) আশাশুনি প্রেসক্লাবে গদাইপুর গ্রামের মৃত মোজাহার সরদারের ছেলে আব্দুস সালাম বাচ্চুর পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন খাজরা ইউপির ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অনুপ কুমার সানা। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, মিথ্যা মামলায় হাজতে থাকা পাওনাদার বাচ্চু ঠিকাদার তপন চক্রবর্তীর সাথে মৌলভী আব্দুল লতিফ কলেজ সড়কের বালি ভরাটের জন্য মৌখিক চুক্তি করেন। তিনি তিন মাস ধরে আমাদের সামনে রাস্তার কাজে পার্শ্ববর্তী আব্দুর রহিমের মেশিনে উত্তোলিত ১লক্ষ ৭ হাজার ফুট বালি সরবরাহ করেছেন। আমার জানা মতে বিভিন্ন কিস্তিতে ঠিকাদার তাকে পাওনা টাকার মধ্যে ৫লক্ষ ১৫ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন। বাকি টাকা চাইলে ঠিকাদার তপন নানা তাল বাহানা শুরু করেন। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সাতক্ষীরায় বসে সালিশের আয়োজন করা হলে গত ঈদের সময় টাকা পরিশোধ করবেন বলে অঙ্গিকার করলেও তিনি দেননি। গত সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাস্তায় কাজ চলাকালীন সময়ে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে লেবার সর্দার শাহিনুরের সাথে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে শ্রমিকরা বাচ্চুকে মারপিট করতে থাকলে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে হাতাহাতিতে জড়ায়। পাওনা টাকা না দেওয়ার হীন স্বার্থে বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে তিনি সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে বিভিন্ন কাগজে মিথ্যা একপেশে সংবাদ পরিবেশন করিয়েছেন এবং থানায় তার আত্মীয়কে বাদী করে বাচ্চুর বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা করেছেন। আমার জানা মতে তার বিরুদ্ধে থানায় কোন নাশকতা মামলা নেই। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। তপন চক্রবর্তী শ্রমিক কাজে লাগিয়ে টাকা না দিয়ে সাংবাদিক পরিচয়ে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে থাকেন। আব্দুস সালাম বাচ্চু তার সর্বশেষ শিকার। ঘটনাটির প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে জেলা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন এলাকাবাসী।
