ঢাকাWednesday , 18 September 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

বৈধ কাগজপত্র ও দখল বুঝে পেলেও দোকানদারি করতে না পারায় ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন

admin
September 18, 2019 10:07 pm
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট: দীর্ঘ ১২ বছর পর বৈধ দোকান ঘর বুঝে পেলেও দোকানদারি করতে না পারার অভিযোগ এনে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, শহরের পলাশপোল এলাকার মৃত আদম আলী মুন্সির ছেলে আব্দুর রাজ্জাক। সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি গত ২০০৯ সালের ৩০সেপ্টেম্বর পৌরসভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১২২৫৩ দাগে ১০ ফুট বাই ১০ ফুট জমি বন্দোবস্ত নেই। সাবেক পৌর মেয়র শেখ আশরাফুল ইসলাম ২০০৯ সালের ১৮ অক্টোবর থেকে ২০১৩ সালের ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত এই বন্দবস্তে স্বাক্ষর করেন। পরবর্তীতে আমার আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০১০ সালের ৮ জুন ১২২৫২ দাগে ১০ ফুট বাই ১৫ ফুট জমি বন্দোবস্ত নেই। শহরের মেহেরুন প্লাজার সামনে অবস্থিত ঐ স্থানে জাকির ক্লথ স্টোর নামে একটি দোকান প্রতিষ্ঠা করি। আমার সাথে বন্ধুত্বের সুবাদে বাটকেখালি গ্রামে আব্দুর রশিদ মোল্লার নিকট থেকে ২লক্ষ টাকা জামানত গ্রহণ করি এবং মাসিক ১৬শ’ টাকা ভাড়ায় একটি চুক্তিপত্র লিখে দেই। আব্দুর রশিদ ২বছর ভাড়া প্রদানের পর হঠাৎ ভাড়া প্রদান বন্ধ করে বিভিন্ন রকম তাল বাহানা, ভয়ভীতি প্রদর্শন করে দোকান ঘরটি নিজের বলে দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, নিরুপায় হয়ে আমি প্রাণসায়র ব্যবসায়ী সমিতির কাছে অভিযোগ করি। এরপর সমিতির এক সালিশে আব্দুর রশিদ দোকান ছেড়ে দেওয়ার ওয়াদা করে। পরবর্তীতে দোকান ঘর ছেড়ে না দিয়ে সময় চান এবং পূর্বের মতো তাল বাহানা শুরু করেন। আব্দুর রশিদের উক্ত কার্যকলাপে সমিতির নেতৃবৃন্দ নিন্দা প্রকাশ করেন। অথচ আমার নামে বর্তমান সময় পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে এবং ২০০৮ সালে জাকির ক্লথ স্টোরের নামে ট্রেড লাইসেন্সও রয়েছে। এরপর আমি অসহায় হয়ে দোকান ফিরে পেতে তৎকালীন পৌর মেয়র বরাবর একটি আবেদন করি। বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য তৎকালীন কমিশনার ওবায়দুল্লাহ, সৈয়দ মাহমুদ পাপাসহ কয়েকজন উভয় পক্ষকে নোটিস প্রদান করেন এবং এ বিষয়ে গত ২০০৮ সালের ২৫ ফেব্রæয়ারি মেয়র বরাবর একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, দোকান ঘর ছেড়ে না দেয়ায় আব্দুর রশিদ ভুল স্বীকার করেন। তাছাড়া আব্দুর রশীদ তৃতীয় পক্ষ জনৈক বাবু খানের নিকট থেকে যে এফিডেভিট করে নিয়েছেন তার কোন আইনগত ভিত্তি নেই। তাদের মতামতে আরও উল্লেখ করেছেন, তিনি স্বেচ্ছায় তার পজিশন ছেড়ে না দিলে আব্দুর রাজ্জাক আইনি ব্যবস্থা নেবেন। তিনি আরও বলেন, মামলাবাজ একরামুল কবির (বাবু খান) সদর এসিল্যান্ড অফিসে ১১/ ৭৪-৭৫ নং এক ভুয়া এমসি কেস সৃষ্টি করে আমিসহ ১১জন নিরীহ দোকানদারদের হয়রানি করছে। এ ব্যাপারে সদর সহকারী কমিশনার(ভূমি) উক্ত ১১/ ৭৪-৭৫ নং কেসটির কোন অস্তিত্ব নেই মর্মে প্রত্যয়ন দিয়েছেন। সর্বশেষ আমি আমার অধিকার ফিরে পেতে গত ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে দোকান ঘর দখলে নিয়ে নেই। অথচ আব্দুর রশিদ যে আমার ভাড়াটিয়া তা গত মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্বীকারও করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে আব্দুর রশিদ দোকান লুট পাট সহ যে সব অভিযোগ করেছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মূলক। গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে আমি যাতে নির্বিঘেœ দোকানদারি করতে পারি এবং বকেয়া দোকান ভাড়া পেতে পারি তার জন্য সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি অভিযোগও করি। আমার কাগজপত্র বৈধ। কারণ আমি জমির মালিক ও পৌরসভার নিকট থেকে বৈধ বন্দোবস্ত গ্রহণ করেছি। এমতাবস্থায় তিনি যাতে দোকান ঘরটি চালু করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন সে জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে বিক্রমপুর গার্মেন্টসের স্বত্বাধিকার আবুল হোসেন, বিসমিল্লাহ টেইলার্সের স্বত্বাধিকারী জামায়াত আলী, রয়েল সেনেটারির স্বত্বাধিকারী নজরুল ইসলাম, এন ইসলামের স্টাফ গোলাম মোস্তফা, ফাল্গুনী বস্ত্রালয়ের স্টাফ কামরুল ইসলাম ও আব্দুর রাজ্জাকের জামাতা আব্দুস সালামসহ স্থানীয় অনেক দোকানদার উপস্থিত ছিলেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।