ঢাকাWednesday , 18 September 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

পাটকেলঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি কক্ষে পানি : বারান্দায় চলছে পাঠদান

admin
September 18, 2019 10:31 pm
Link Copied!

নাজমুল হক, পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি কক্ষে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে আছে। বর্তমানে শ্রেণি কক্ষে পানি জমে থাকায় বারান্দায় চলছে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান। বিদ্যালয়টি উপজেলার শ্রেষ্ঠ মডেল বিদ্যাপীঠ হওয়া সত্তে¡ও এমন সমস্যা দীর্ঘ দিনের। সামান্য বৃষ্টি হলেই পানিতে তলিয়ে যায় অফিস সহ শ্রেণি কক্ষগুলো। পাটকেলঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৭২ সালে মিনা স্কুল নামে প্রতিষ্ঠিত হয়ে ২০১৩ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি পায়। ১৯৯৫ সালে এই স্কুলে তিন রুম বিশিষ্ট একটি এক তলা ভবন নির্মাণ করা হয়। এখনও পর্যন্ত বিদ্যালয়ের ভবনের কোন পরিবর্তন না হওয়ায় এ মাসের ভারী বর্ষণে বিদ্যালয়ের দুটি ক্লাস রুম ও একটি অফিস রুম পানিতে তলিয়ে আছে। বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের কর্ণারে শৌচাগার এর পার্শ্বে বেঞ্চ দিয়ে রৌদ্রের ভিতর শিক্ষকরা কোমলমতি শিশুদের ক্লাস নিচ্ছেন। তালা উপজেলার এ স্কুলটি রেজাল্ট এর দিক দিয়ে প্রায় সময় প্রথম স্থান অধিকার করে। বর্তমানে এ বিদ্যালয়ে ৩শ’ ৩৩ জন শিক্ষার্থী ও ৫জন শিক্ষক আছে। শিক্ষার্থীর আনুপাতিক হারে এ বিদ্যালয়ে আরও ৩জন শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে বলে জানান কর্তৃপক্ষ। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বন্ধনা চন্দ জানান, গত দেড় মাস ধরে পানির মধ্যে ক্লাস চালানোর ফলে অনেক শিক্ষার্থীরা জ্বর সহ নানান রোগে আক্রান্ত হয়েছে। অনেকেই স্কুলে আসা ছেড়ে দিয়েছে। বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী অহনা, কনিষ্ঠা সাহা ও ছাত্র সাকিবুল হাসান তাদের সমস্যার কথা সম্পূর্ণ ইংরেজিতে ব্যক্ত করেন। যে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান এত উন্নত সে বিদ্যালয়ের দিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ একান্ত নজরদারি রাখবেন এটাই তাদের প্রত্যাশা শিক্ষার্থীসহ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো: অলিউল ইসলাম বলেন, এই স্কুলের সকল শিক্ষকরা কোমলমতি শিশুদের পাঠদান দিতে খুবই আন্তরিক। শিক্ষার্থীরা যাতে ভালো রেজাল্ট করে সে উদ্দেশ্যে স্বেচ্ছা শ্রমে স্কুলে সান্ধ্যকালীন পাঠদানের ব্যবস্থা চালু রাখা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ২০১৯ সালে ৫২ জন পরীক্ষার্থী সমাপনী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ৯ জন ট্যালেন্ট-পুলে, ১৫ জন এ প্লাস, ও ১ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে। এ অবস্থা দীর্ঘদিন চলতে থাকলে আমাদের শত চেষ্টা সত্তে¡ও ভালো ফলাফলের ধারাবাহিকতা রক্ষা ব্যর্থ হতে পারে। তাই বিদ্যালয়টিতে দ্রæত বহুতল ভবন নির্মাণ করে বিদ্যালয়ের এ আশু সমস্যা সমাধান করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এতদ্বাঞ্চলের গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ দাবি জানিয়েছেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।