ঢাকাSunday , 1 September 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

দেবহাটায় বসত ঘর পোড়ানোর ঘটনায় অসহায় নারীর সংবাদ সম্মেলন

admin
September 1, 2019 11:36 pm
Link Copied!

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটায় বসত ঘর পোড়ানোর ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক অসহায় নারী। রোববার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় দেবহাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের মৃত রহিম সানার স্ত্রী সালমা খাতুন (৫৫)। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জগন্নাথপুর গ্রামে আমার পৈতৃক সম্পত্তিতে পরিবার নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ বসবাস করে আসছি। প্রতিবেশী মৃত ছগির আলীর পুত্র আবু মুছার বাড়ির সামনে আমার ভোগ দখলীয় জেলা পরিষদের কিছু জমিতে আমার রান্না ঘর, বাথরুম ও কাঠের ঘরসহ কয়েকটি গাছ আছে। আমার পৈতৃক সম্পত্তি ও জেলা পরিষদের জায়গাটুকু ছিনিয়ে নেয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে প্রতিবেশী আবু মুছা। ঐ জায়গা থেকে আমাকে বিতাড়ীত করতে বিভিন্ন সময় নানারকম হুমকি দিয়ে আসছে। কিছুদিন পূর্বে মুছা আমার রান্নাঘর, বাথরুম, কাঠের ঘরসহ জায়গা জোরপূর্বক দখল করে নেয়। এ বিষয়ে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে গত ইং ১৩-০৩-১৯ তারিখে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি তদন্তের জন্য নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেন। চেয়ারম্যানের অফিসে বিষয়টি নিয়ে কয়েক তারিখ মীমাংসার দিন ধার্য্য হলেও মুছা ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে কোন তারিখেই সালিশে হাজির হয়নি। গত ২১ আগস্ট রাতে মুছা আমার রান্নাঘর ও বসতঘরের বেড়া ও বারান্দা ভেঙে দেয়। এমনকি বেড়া দিয়ে আমার যাতায়াতের পথ বন্ধ করাসহ রান্নাঘরের পাশে মাটি তুলে পানি আসার পথটিও বন্ধ করে দেয়। এ সময় আমি ও আমার পরিবারের লোকজন বাধা দিলে মুছা ও মুছার পরিবারের লোকজন আমাদের মারপিট করে। এমনকি ঐ রাতে মুছা, তার পুত্র শাওন ও সোহান এবং তার সহযোগীরা রামদা, শাবলসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে জীবননাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। পরের দিন সকালে আমি দেবহাটা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। অভিযোগের সংবাদ পেয়ে মুছাও আমাদের নামে দেবহাটা থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে। এ বিষয়ে গত শুক্রবার (৩০ আগস্ট) সকালে দেবহাটা থানায় সালিশের দিন ধার্য্য করেন থানা কর্তৃপক্ষ। থানায় সালিশের দিন পড়লে মুছা আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিশোধ নিতে গত বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) রাতে আমার বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় ঘরের ভিতরে আগুন ছড়িয়ে পড়লে আগুন নেভানোর জন্য এলাকাবাসী ছুটে এসে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। পরে কালিগঞ্জ থেকে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ঘরের ভিতরে থাকা সকল জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। পরে দেবহাটা থানার ওসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ বিষয়ে আমি শুক্রবার (৩০ আগস্ট) সকালে দেবহাটা থানায় আবারও একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বিষয়টি থানায় মামলা হিসেবে রেকর্ড ভুক্ত হয়নি। মুছা ভাই বা চাচারা পার্শ্ববর্তী একটি মাদ্রাসায় জমি দান করে। শুধু তার পিতার অংশ দান না করায় দানকৃত সম্পূর্ণ সম্পত্তিই মুছা নিজেই লীজ নেওয়ার নাম করে দখল করে নেয়। তাছাড়া পার্শ্ববর্তী জেলা পরিষদের খাস জমিতে ডিসিআরের নাম করে প্রায় ৮/৯টি পরিবারকে ভিটা ছাড়া করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে মুছা। এছাড়া মুছা দেবহাটা উপজেলা সহ বিভিন্ন উপজেলায় ঘের দখলের ঢালী হিসেবে কাজ করে। শ্যামনগর থেকে কয়েক বছর আগে র‌্যাবের হাতে গ্রেফতারও হয় সে। বর্তমানে আমি আমার পরিবারের লোকজন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যাতে প্রশাসনিক তদন্ত করে মুছার কবল থেকে আমার সম্পত্তি রক্ষা ও ঘরে আগুন দেয়ার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার পাই।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।