শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে জেলে, বাওয়ালি ও সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল মানুষদের মৎস্য কার্ড নিবন্ধনে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব তহবিল হতে দক্ষিণ জনপদের সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল মানুষদের জীবনের উপর ভিত্তি করে তাদেরকে নিবন্ধনের বন্দোবস্ত করে দেয়। কিন্তু স্থানীয় পর্যায়ে নিবন্ধন এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কতিপয় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। সূত্র জানায়, জেলে কার্ডে সরকার অনেক সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকে। এজন্য কিছু অসাধু কর্মকর্তা সাধারণ জেলেদের থেকে মোটা অঙ্কের উৎকোচ নিয়ে যারা প্রকৃত জেলে নয় তাদেরকে জেলে কার্ড দেওয়ার নাম করে হাতিয়ে নিচ্ছে অর্থ। এ প্রসঙ্গে শ্যামনগর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ফারুক হোসাইন সাগর বলেন, জেলে কার্ড করার ক্ষমতা এ মুহ‚র্তে কারো নেই। হালনাগাদের সিদ্ধান্তটি প্রক্রিয়াধীন আছে, সিদ্ধান্ত চুড়ান্তÍ হলে আমরা সংযোজন বিয়োজন করতে পারব। সুতরাং প্রতারক হতে সাবধান থাকতে হবে। প্রয়োজনে উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করতে হবে। যদি এমন কোন তথ্যের প্রমাণ পাওয়া যায় তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
