ডেস্ক রিপোর্ট: আশাশুনির কাপসন্ডা গ্রামে বহুলালোচিত সেই মারপিট ও ভাঙচুরের ঘটনায় রমজান মোড়লকে প্রধান আসামি করে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৮/১০ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গুরুতর আহত সাবেক ইউপি সদস্য কবীর হোসেনের ভাই মহাসিন সরদার বাদী হয়ে শনিবার (২৪ আগস্ট) আশাশুনি থানায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট, লুটপাটসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে ২৩(৮)১৯ নং মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলা সূত্রে জানাগেছে, চেউটিয়া গ্রামের লতিফ সরদারের ছেলে কবির হোসেন খালিয়া মৌজায় ৮বিঘা জমিতে মৎস্য চাষ করেন। কাপসন্ডা গ্রামের সুন্দর আলি মোড়লের ছেলে একাধিক মামলার আসামি রমজান মোড়লের নেতৃত্বে তার বাহিনীর সদস্য আমিনদ্দীন সরদারের পুত্র খোকা, চেউটিয়া গ্রামের মৃত আমজেদ সরদারের পুত্র নুরুল্লাহসহ আরও ১০/১৫ জন মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) কবিরের ঘেরে গিয়ে তার কাছে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়ে আসে। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকালে কবির ও মিলন সাতক্ষীরা রওয়ানা হয়ে কাপসন্ডা গ্রামে আমারাত হোসেনের বাড়ির সামনে পৌঁছালে রমজানের নেতৃত্বে তার বাহিনীর লোকজন দল বেধে তাদের পথ রোধ করে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এরপর তারা কোন রকমে পাশে সাত্তার গাজীর বাড়িতে আশ্রয় নিলে সে বাড়িতে ঢুকেও মারপিট করতে থাকে। সাত্তার গাজী বাধা দিলে তাকে, তার ভাই সামাদ, স্ত্রী রোকেয়া ও মেয়ে ডালিয়াকেও পিটিয়ে-কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম ও শ্লীলতাহানি ঘটায়। হামলাকারীরা সাত্তারদের দু’টি বসত ঘর ও ঘরের মালামাল ভাঙচুর করে ৪ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন করেছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয়দের সহায়তায় গুরুতর আহতদের এম্বুলেন্সযোগে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরমধ্যে গুরুতর আহত সামাদকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুস সালাম জানান, এ মামলায় এখনও পর্যন্ত কোন কেউ গ্রেফতার হয়নি।
