ঢাকাFriday , 9 August 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

কালিগঞ্জে শেষ মূহুর্তে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

admin
August 9, 2019 11:08 pm
Link Copied!

শেখ শাওন আহমেদ সোহাগ, নিজস্ব প্রতিনিধি: কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে কালিগঞ্জে গরু- ছাগলের হাট শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে। এবার সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু না আসায় দেশী গরুতে  ভরে আছে এসব বাজার। বুধবার বসেছিল উপজেলার সবচেয়ে বৃহৎ কুশুলিয়ার গরুর হাট, শুক্রবার ও রবিবার মৌতলা অস্থায়ী গরুর হাট, শুক্রবার ও সোমবার তারালী গরুর হাট, শুক্রবার রতনপুর গরুর হাট এবং বৃহস্পতিবার নাজিমগঞ্জ অস্থায়ী গরুর হাট বসার কথা থাকলেও সেটি বসেনি। যার জন্য বিপাকে পড়েছে অনেক ক্রেতা-বিক্রেতারা।
উপজেলার বৃহৎ কুশুলিয়া গরুর হাট কমিটির সদস্য কাজী নবীদুল ইসলাম স্বপন জানান, এই অঞ্চলের সর্ববৃহৎ এ হাটে স্থানীয় খামারিসহ ব্যাপারীরা বিভিন্ন এলাকা থেকে কোরবানির পশু ক্রয়- বিক্রয়ের জন্য নিয়ে আসেন। এবছর কোরবানির পশুর কোন সংকট হয়নি। এছাড়া সার্বক্ষণিক প্রশাসনের তদারকি থাকায় পকেটমার, দালাল ও ছিনতাইকারী মুক্ত ছিল এ হাট। শুক্রবার বিকেলে সরেজমিন উপজেলার মৌতলা অস্থায়ী পশুর হাটে গেলে হাট কমিটির সদস্য মাসুদ পারভেজ ক্যাপ্টেন বলেন, এবছর বাজারে ভারতীয় গরু না আসায় দেশীয় গরু বিক্রি হচ্ছে। ৩০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১ লক্ষ টাকা দামেরও গরু বিক্রি হচ্ছে এ হাটে। এছাড়াও দেশীয়-বিদেশি সব ধরনের ছাগলও প্রচুর পরিমাণে বাজারে উঠেছে। ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই খুশি এবছরের বাজার দামে। এছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি থাকায় বাজারের পরিবেশ অনেক সুন্দর। কালিগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মনোজিৎ কুমার মন্ডল জানান, এবছর বাজারে ভারতীয় গরু না এলেও কোরবানির পশুর হাটে এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়িনি। উপজেলায় প্রায় ৫০০ টি গরুর খামার রয়েছে এসব খামারে প্রায় ৭০ হাজার গরু রয়েছে। ছাগলের খামার রয়েছে ১১’শ এতে প্রায় ৪৯ হাজার ছাগল রয়েছে। এছাড়া ৩০০ টি ভেড়া রয়েছে তবে কোন মহিষের খামার নেই। কিন্তু বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যাপারীরা মহিষ ক্রয় করে এই অঞ্চলের বাজারে নিয়ে এসে বিক্রি করছে। তিনি আরও বলেন, এ অঞ্চলের বাজারে মাঝারি ধরনের গরুর চাহিদা বেশি। যেসব গরুর ওজন ১০০ থেকে ১৩০ কেজি সেসব গরু বেশি বিক্রি হচ্ছে। বড় বড় গরু গুলো ফড়িয়ারা ক্রয় করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাচ্ছে। ছাগল বিক্রি হচ্ছে পাঁচ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত। ভেড়া ও মহিষ তেমন চোখে পড়েনি। প্রতিটি বাজারে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য প্রাণী সম্পদ অফিসের পক্ষ থেকে মনিটরিং টিম পাঠানো হচ্ছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।