ডেস্ক রিপোর্ট: বিজ্ঞ আদালতে চলমান একটি মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণের চুক্তিতে টাকা নিয়ে প্রতারণা এবং আরও মামলা দিয়ে ফাঁসানোর ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ-ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী ব্যক্তি কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগে উপজেলার মৌতলা ইউনিয়নের ঝড়–খামার গ্রামের মৃত রঙ্গলালের পুত্র মধুসূদন মন্ডল জানান, তার আত্মীয় প্রদীপ সানাকে পারিবারিক মামলায় পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করলে বিজ্ঞ বিচারক তার বিরুদ্ধে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ডিক্রি প্রদান করেন। আদালত থেকে মামলা খারিজ করার জন্য উপজেলার কুশুলিয়া গ্রামের কাজী শামছুদ্দীনের পুত্র জজকোর্টের আইনজীবী অ্যড. শাহনেওয়াজের সাথে ৮০ হাজার টাকার চুক্তিতে সম্পূর্ণ টাকা গত ২৩ জুন সন্ধ্যা ৭ টার দিকে স্বাক্ষীদের সম্মুখে তাকে প্রদান করা হয়। কিন্তু উক্ত আইনজীবী টাকা নিয়ে কোন কাজ না করে ভারতে চলে যায়। একপর্যায়ে গত ৮ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে জিরণগাছা মোড়ে তার সাথে দেখা হলে মামলা সংক্রান্ত কথাবার্তা বলার সময় তিনি উক্ত মামলা খারিজের জন্য আরও ৭০ হাজার টাকা দাবি করেন। আমি পূর্বে দেয়া ৮০ হাজার টাকা ও মামলার নথি ফেরত চাইলে অ্যাড. শাহনেওয়াজ আমাকে এবং সাথে থাকা আতিয়ার রহমানকে মারধর করে। পরবর্তীতে অ্যাড. শাহনেওয়াজ আমাদের ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দায়ের করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত করে। উক্ত আইনজীবী ৮০ হাজার টাকা ফেরত না দেয়ার উদ্দেশ্যে আমাদের বিরুদ্ধে ফেসবুকসহ বিভিন্ন ভাবে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। এমনকি আমাদের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতি সপ্তাহে ২ টি করে মামলা দেবে বলে জনসম্মুখে প্রচার করছে। টাকা ফেরত পাওয়া এবং হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মধুসূদন মন্ডল উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন।
এব্যাপারে জানার জন্য অ্যাড. শাহনেওয়াজের মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, তাদের সাথে মামলা সংক্রান্ত কোন বিষয়ে আলোচনা বা টাকা পয়সা লেনদেনের ঘটনা ঘটেনি। মামলা নাম্বারও আমি জানি না। আমার উপর হামলা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ থেকে বাঁচতে পাল্টা তারা আত্মপক্ষ সমর্থনের উদ্দেশ্যে মিথ্যা কথা বলছে এবং আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছে।
