ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা করায় মামলার বাদী আতাউল ইসলাম সরদারকে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে আসামিরা। আতাউল ইসলাম সরদার সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিবনগর ঢালীপাড়া এলাকার মৃত নাছির সরদারের ছেলে। এঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে ভুক্তভোগী। সাতক্ষীরা সদর থানার মামলা নং-১১,তারিখ ০৪/০৭/২০১৯। এজাহার সূত্র জানায়, আতাউল ইসলাম সরদার ভাগ্যের চাকা পরিবর্তন ও আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরে পাওয়ার জন্য ২০১৫ সালের জুলাই মাসে মালয়েশিয়া গমণ করে। রেখে যান স্ত্রী ও দুই সন্তান সহ সাঁজানো সংসার, মালয়েশিয়া থাকা অবস্তায় তার স্ত্রী সুলতানা খাতুনের (২৮) কে বিভিন্ন ভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে শেষ পর্যন্ত সফল হন উপজেলার শিবনগর গ্রামের ইসমাঈল সরদারের পুত্র মনিরুল ইসলাম অপু(৩০) ও সদর উপজেলার এগারানি গ্রামের আলতামসের পুত্র শাহরিয়ার। তাঁরা বিভিন্ন সময় দিনের পর দিন সুলতানা খাতুনকে কুপ্রস্তাব দিতে থাকে, এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেম ভালোবাসা হয় এবং গভীর সম্পর্ক তৈরি হয় । যার প্রেক্ষিতে গত ১৫ জুন আতাউল ইসলাম দেশে ফিরে আসার পর স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্কের কথা জানতে পারায় কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে নিরব থাকে দুইটি সন্তানের মুখের দিকে চেয়ে। কিন্তু পরকীয়া সম্পর্ক এতই মধুর মনে হয়েছে সুলতানা খাতুনের যে,স্বামী ও সন্তানদের ভালোবাসা উপেক্ষা করে মালয়েশিয়া থেকে ফিরে আসা স্বামীর উপর্জিত নগদ ৫ লক্ষাধিক টাকা ও বিভিন্ন ধরণের স্বর্ণের গহনা যার মূল্য ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে অপু ও শাহরিয়ারের সঙ্গে রাতের অন্ধকারে সবার অগচরে পালিয়ে যায় অজানার উদ্দেশ্যে। ঘটনার দুই দিন পরে এলাকাবাসী খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, সুলতানা খাতুন এখন তাঁর উত্তর কামারপাশার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছে। আতাউল ইসলাম কোনো পথ খুঁজে না পেয়ে গত ০৪/০৭/২০১৯ ইং তারিখে সাতক্ষীরা সদর থানায় তিন জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে, যার মামলা নং-১১। সুলতানা খাতুনকে স্বামীর বাড়ির বিভিন্ন মূল্যবান সম্পদ নিয়ে পালিয়ে যেতে সহযোগীতা করেন শিবনগর এলাকার সবুজ নামের এক ব্যক্তি। মামলা করার পর থেকে আসামি পক্ষ ও দুই রোমিও (মনিরুল ইসলাম অপু ও শাহরিয়া ) এক সাথে হয়ে, পরিকল্পিতভাবে আতাউল ইসলামের অর্থ আত্মসাৎ করার পরিকল্পনা করে এবং মামলা তুলে নেয়ার কথা বলে, সেই সাথে জীবন নাশের হুমকি প্রদান করে। মামলার বাদী আতাউল ইসলাম বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন। জীবন নাশের হুমকিতে মানবেতার জীবন যাবন করছে। এব্যাপারে ভূক্তভোগী পুলিশ প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
