ডেস্ক রিপোর্ট: দেবহাটায় মেম্বারের সহযোগিতায় বাল্যবিয়ের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের চিনেডাঙ্গা গ্রামের মৃত পুনিল বাঙ্গাল এবং যমুনা রানীর ছোট মেয়ে সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ে। মা যমুনা রাণী উচ্চ আকাংঙ্খা আর লোভের বসে প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পূর্বেই একে একে বিয়ের পিড়িতে বসিয়েছেন তিন কন্যাকে। এই বাল্যবিবাহের কারণে তার একটি মেয়ের অকাল মৃত্যুও ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্র জানায়। সাম্প্রতি ছোট মেয়ে কবিতাকে স্থানীয় মেম্বর মোনাজাত আলীর সহযোগিতা এবং স্থানীয় প্রভাবশালীদের বাড়ি থেকে গোপনে এক আতœীর বাড়িতে নিয়ে একই উপজেলার কুলিয়া গ্রামের সুব্রত নামে এক যুবকের সাথে বিবাহ সম্পন্ন করেছেন। রবিবার অপ্রাপ্ত বয়সী ঐ মেয়ে জামাইসহ বাড়িতে আসলে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি বিরাজ করতে থাকে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়রা জানতে চাইলে কবিতার মা যমুনা প্রভাবশালীদের ইন্ধনে তাদের উপর ক্ষেপে যায়। তবে, প্রভাবশালীরা বিষয়টি ধামা চাপা দেওয়ার চেষ্টা চালায়। এনিয়ে ইউপি সদস্য মোনাজাত আলী অস্বীকার করে বলেন, এবিষয়ে আমি কিছু জানি না।
এব্যাপারে, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক নাজমুন নাহার জানান, বাল্যবিবাহ একটি অভিশাপ। ইতিমধ্যে সরকারের পক্ষে বাল্যবিবাহের অভিশাপ থেকে সমাজকে রক্ষা করতে বাল্যবিবাহের উপরে লাল কার্ড দেখানো হয়েছে। এর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
