দেবহাটা প্রতিনিধি: কামরুজ্জামান (৩৫)। পশুপাখি আর প্রকৃতি নিয়ে কাজ করেন তিনি। সমাজকে সুন্দর করায় তার আসল উদ্দেশ্য। ছোট থেকেই এই সংগ্রাম করে চলেছেন তিনি। যার কারনে বিভিন্ন সময়ে সমাজের মানুষের কাজে নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে তাকে। তার পরেও থেমে থাকেনি কামারুজ্জামানের জীব বৈচিত্র রক্ষার কাজ। আর সেই লক্ষ্যে তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে বাবুই পাখির বংশ রক্ষায় সাইন বোর্ড স্থাপন করতে আবেদন জানিয়েছেন।
ওই আবেদন পত্রে তিনি উল্লেখ করেছেন, দেবহাটা উপজেলার ঘলঘলিয়া রহিমপুর গ্রামের বিআরডিবির ডিপের বিল এলাকার প্রতিটি তাল গাছে বাসা বাধে বাবুই পাখি। বাবুই পাখি বংশ বিস্তার করে তাদের তৈরি বাসায়। কিন্তু চলতি গরমের শেষে তালগাছ পরিষ্কার করায় অসংখ্য পাখির বাসা ও বাচ্চা ধ্বংস হয়ে যায়। এমতাবস্থায় মানবিক দৃষ্টিকোণ ওই অঞ্চলের বিলুপ্তপ্রায় বাবুই পাখি রক্ষায় প্রজনন মৌসুমে তালগাছ কাটা ও ঝোড়া নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন। কিছু সাইন বোর্ড স্থাপন করা জরুরি বলে মনে করেন তিনি। বাবুই পাখির বাসা বাঁধে এমন গাছ চিহ্নিত করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশক্রমে পয়লা মার্চ হতে ১৫ জুন সময় কাল নির্ধারণ করতে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। তিনি মনে করেন এভাবে যদি বিলুপ্তপ্রায় পাখির জাত ও বংশ রক্ষা করা যায় তাহলে জীব বৈচিত্র রক্ষা পাবে।
