ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ (সামেক) হাসপাতালে মাটির নিচে পুঁতে রাখা বিপুল পরিমান ওষুধ উদ্ধারের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি তদন্ত শুরু করেছেন।
সোমবার দুপুরে তদন্ত টিমের প্রধান ডা. রুহুল কুদ্দুসসহ অপর দু’সদস্য ডা. প্রবীর কুমার বিশ^াস ও ডা. আক্তারুজ্জামান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম ও পুলিশের উপস্থিতিতে উক্ত ওষুধ, ক্যানেলা, জিপসোনা, গজ ব্যান্ডেজসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সামগ্রীর নমুনা সংগ্রহ করেন। এদিকে, ঘটনাস্থলে যেতে না দেওয়ায় ক্ষোভ বিরাজ করছে গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে।
ঘটনাস্থলে যেতে না দিলেও পরে গণমাধ্যম কর্মীদের ডা. রুহুল কুদ্দুস বলেন, যে যে কোম্পানির ওষুধ, আমরা নমুনা সংগ্রহ করেছি সেসব কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করব। কারা সেসময় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের দায়িত্বে ছিলেন বা কারা এসব ওষুধ কিনতে আদেশ দিয়েছিলেন, তা জানা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করছেন।
উল্লেখ্য, গত শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরের সেপটি ট্যাংকের কাছ থেকে মাটিতে পুঁতে রাখা অবস্থায় ১০ বস্তা ওষুধসহ বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। এদিন বৃষ্টির পানিতে ওষুধ ভর্তি বস্তাগুলো বেরিয়ে পড়লে তা সবার নজরে আসে। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় এসব ওষুধ, ক্যানেলা, জিপসোনা, গজ ব্যান্ডেজ ও চিকিৎসা সামগ্রী। বেরিয়ে পড়া এসব ওষুধ ফের মাটি চাপা দেওয়ার জন্য শ্রমিকদের সাথে দরকষাকষির সময় তা জানাজানি হয়ে যায়।
পরদিন ঘটনা তদন্তে ডা. রুহুল কুদ্দুসকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধয়াক ডা. শাহাজাহান আলী।
এ ঘটনায় জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামালও পৃথক একটি তদন্ত টিম গঠন করে দিয়েছেন।
