দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটার সরকারি কেবিএ কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়জুল্লাহ’র বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় কলেজ প্রশাসনের নিকট থেকে চাঁদা আদায় ও ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে মানববন্ধন করেছে শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা। এই মানববন্ধনের পরেই ফের কলেজ প্রশাসনকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছে ছাত্রলীগ নেতা ফয়জুল্লাহ।
মঙ্গলবার (২১ মে) বেলা ১১টায় উপজেলার সখিপুরস্থ সরকারি কেবিএ কলেজ চত্বরে এই মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে অভিযোগ করে বলা হয়, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়জুল্লাহ বিভিন্ন সময় কলেজ প্রশাসনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায় করে আসছে। গত ২০ মে সোমবার ১৫ হাজার টাকার দাবি জানালে দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় কলেজ ছাত্রলীগ নেতা ফয়জুল্লাহ অধ্যক্ষের কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে অশোভন আচারণ ও গালিগালাজ করতে থাকে। এমনকি অধ্যক্ষসহ দুই শিক্ষককে মারপিটের হুমকি দিতে থাকে। শিক্ষকদের প্রতি অশোভন আচরণ, ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা করায় বর্তমান কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটির অনুরোধ জানানো হয় মানববন্ধনে।
মানববন্ধনে অংশ নেন অধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম, শিক্ষক গোলাম জাকারিয়া, পবিত্র মোহন দাশ, মোল্লা সাব্বীর হোসেন, কামিদুল ইসলাম, শংকর কুমার দাশ, আজহারুল ইসলাম, আব্দুল আজিজ, শেখ মিজানুর রহমান, শহীদুল ইসলাম, মইনুদ্দিন খান, ফেরদৌসী পপী, শেখ হাবিবুল্লাহ, আছফারজ্জামান, এএসএম মিজানুর রহমান, মনিরুল ইসলাম, আকবর আলী, মোশারফ হোসেন, শাহানুর রহমান, জাহাঙ্গীর কবীর, স্বপন কুমার মন্ডল, আকরাম হোসেন, আজিজুর রহমান, মাসুদ করিম, শচীন্দ্রনাথ মন্ডল, রনজন কুমার মন্ডল, অভিজিৎ কুমার বসু, আব্দুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, মনিরুজ্জামানসহ সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রীরা।
এদিকে, মানববন্ধনের পরে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়জুল্লাহ তার ব্যবহৃত ০১৯৩১৬৩৮৪৬৬ নাম্বার থেকে কলেজের কর্মচারী আব্দুল আলিমকে ফোন করে অধ্যক্ষ ও তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও বিভিন্ন মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া ঐ ছাত্রলীগ নেতার পক্ষে অধ্যক্ষসহ কয়েজন শিক্ষককে অবরুদ্ধ করারও অভিযোগ তোলা হয়েছে। পরে পুলিশ যেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়জুল্লাহ বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়। আমি ঐদিন অধ্যক্ষের কাছে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলানোর জন্য যায়। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ করা হয়েছে।
