ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদের বির”দ্ধে চরম স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে দ্রুতই এর প্রতিকারের দাবিতে লিখিত আবেদন করেছেন প্রেসক্লাবেরই ২৭জন সদস্য। লিখিত আবেদনে উল্লিখিত বিষয়ে কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহণে গাফিলতি/গড়িমসি করলে গঠনতন্ত্রের আলোকে পরবর্তী কর্মপন্থা নির্ধারণে আবেদনকারীরাই বাধ্য হবে বলে আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগপত্রে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জিএম মনির”ল ইসলাম, আরটিভির রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী, দৈনিক সাতনদীর সম্পাদক হাবিবুর রহমান, ভোরের কাগজের ড. দিলীপ কুমার দেব, প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল ওয়াজেদ কচি ও কালিদাস রায়, সাবেক সাধারণ সম্পাদক র”হুল কুদ্দুস, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাফফর রহমান, দৈনিক কল্যাণের কাজী ময়না, যুগের বার্তা সম্পাদক আবু নাসের মো. আবু সাঈদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মনির”ল ইসলাম মনি, বর্তমান অর্থ সম্পাদক মোশারফ হোসেন, সাবেক দপ্তর সম্পাদক আহসানুর রহমান রাজীব, মোহাম্মদ আলী সুজনসহ ২৭জন সদস্য স্বাক্ষর করেছেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্যকে নিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের বিশেষ সাধারণ সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত যথাযথ হয়নি বলে অভিযোগকারী সাংবাদিকরা মনে করেন। তাই গৃহীত সিদ্ধান্ত নিঃশর্ত প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
এছাড়া অভিযোগপত্রে কার্যনির্বাহী পরিষদের আয়-ব্যয়ের হিসাব সরকারি অডিটর নিয়োগের মাধ্যমে অডিট ও সাধারণ সভায় উপস্থাপনের দাবি জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সদস্য পদ প্রদানের ক্ষেত্রে গঠনতন্ত্রের চরম লঙ্ঘন হয়েছে। ব্যক্তিগত পছন্দকে প্রাধান্য দিয়ে প্রকৃত অনেক হকদার সাংবাদিককে সদস্য পদ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। উদ্দেশ্যেমূলকভাবে দৈনিক কাফেলার সম্পাদকসহ তিনজনের সদস্য পদ বাতিল করা হয়েছে। যা গঠনতন্ত্রের চরম লঙ্ঘন। অপরদিকে, নাম সর্বস্ব পত্রিকার সাংবাদিক ও মিডিয়া না থাকা সত্ত্বেও কারও কারও সদস্য পদ বহাল রাখা হয়েছে। যা দিন দিন প্রেসক্লাবকে বিভাজনের জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা, দৈনিক সুপ্রভাত সাতক্ষীরা, সাপ্তাহিক ইচ্ছে নদীসহ জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় কর্মরতদের সদস্য পদ বঞ্চিত করা হচ্ছে। যারা পূর্বে প্রেসক্লাবের সদস্য ছিল, তাদের সদস্য পদ পুনর্বহালের বিষয়েও গড়িমসি করা হচ্ছে।
সর্বোপরি প্রেসক্লাবের বর্তমান কমিটির ১১জন সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। দুটি পদের প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার পর ওইপদ সৃষ্টি হয়নি। অথচ সেই দুটি পদ কো-অপশনের মাধ্যমে পূরণ করে গঠনতন্ত্র লঙ্ঘণ করা হয়েছে। অবিলম্বে এই পদ দুটি বাতিল করে পুনরায় তফশীল ঘোষণার মাধ্যমে নির্বাচন দেওয়ার জোর দাবি জানানো হয় অভিযোগপত্রে।
অভিযোগপত্রে, ২১ দিনের মধ্যে উল্লেখিত বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য হলে অনাস্থা প্রস্তাব উত্থাপনের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।
