ঢাকাSaturday , 18 May 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

মানব পাচার প্রতিরোধে মাঠ পর্যায়ে ইনসিডিন এর সংবাদ সম্মেলন

admin
May 18, 2019 10:23 pm
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট: শিশু পাচার প্রতিরোধ ও সুরক্ষায় সরকারের ‘মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন জাতীয় কর্মপরিকল্পনা’ বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে ইনসিডিন বাংলাদেশ।
শনিবার (১৮ মে) সকাল ১১টায় দৈনিক সুপ্রভাত সাতক্ষীরার কনফারেন্স রুমে এ সংবাদ সম্মেলন হয়। ‘শিশু পাচার প্রতিরোধ ও সুরক্ষায় আইনী সহয়তা কার্যক্রম সম্প্রসারণের আহ্বান’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে সমন্বিত সাংবাদিক এসোসিয়েশনের সভাপতি মীর মোস্তফা আলীর সভাপতিত্বে ও ইনসিডিন বাংলাদেশের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি সাকিবুর রহমানের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার, জেলা পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট শাহনেওয়াজ পারভিন মিলি, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহিদুর রহমান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, ন্যাশনার চাইল্ড টাস্ক ফোর্সের সভাপতি পুজা দাশ ও সদস্য ফিরোজ হোসেন। আরও উপস্থিত ছিলেন সমন্বিত সাংবাদিক এসোসিয়েশনের সদস্যবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, ইনসিডিন বাংলাদেশের প্রকল্প সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, শিশু পাচার রোধে আইনের কাঠামোটি দৃঢ় হলেও তার কার্যকর প্রয়োগ এখন সময়ের দাবি। আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাবে, পাচারকারীদের শাস্তি ও পাচারের শিকার শিশুদের ন্যায় বিচার প্রদান করা যাচ্ছে না। আর এই পরিস্থিতির আশু পরিবর্তন না হলে মানব পাচার রোধে সরকার গৃহীত জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০১৮-২০২২ এর বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করা যাবে না। বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে মানব পাচার রোধে বেশ কিছু কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং এই বিষয়ে বেশ কিছু অগ্রগতি অর্জন করেছে। যেমন সরকার ২০১২ সালে মানব পাচার প্রতিরোধে ও দমন আইন-২০১২ প্রনয়নের পাশাপাশি এই আইনের বিধিমালা-২০১৭ প্রণয়ন করে। সাথে সাথে ২০০৮ সাল থেকে মানব পাচার বন্ধে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে আসছে। এছাড়াও বিধিমালা অনুযায়ী মানব পাচার দমন জাতীয় সংস্থা গঠন করেছে। সরকার এসকল উদ্যোগ গ্রহণের পরেও মামলা দায়ের, ভিকটিম সনাক্তকরণ ঠিকমত না হওয়া, ভিকটিম কর্তৃক অভিযোগ না করা, এমনকি মামলা দায়ের করার পরও তার দীর্ঘসূত্রিতা, দূরবর্তী কোর্ট বরাবর যাতায়ত করার অসুবিধা, মামলাগুলো হয় উঠিয়ে নেয়া হচ্ছে অথবা কোর্টের বাইরে মিমাংসা করে ফেলেছে। এর ফলে প্রতি বছর মানব পাচারকারীর বিচারের সংখ্যা কমতে কমতে ২০১৮ সাতে এসে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পাচারের শিকার শিশুদের ক্ষেত্রে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা কতটা দূরহ হয়ে উঠেছে, অগ্রাধিকারের ক্ষেত্রে কতটা পিছিয়েছে পড়েছে তা সহজেই অনুমেয়।
তিনি আরও বলেন, মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমনে গৃহিত জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে জেলা উপজেলা ও ইউনিয়ন ভিত্তিক মানব পাচার কমিটি (সিটিসি) গুলোকে সক্রিয় করার কোন বিকল্প নাই। বর্তমানে এক্ষেত্রে অগ্রগতি থাকলেও তা খুব একটা সন্তোষজনক না। তবে, তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত মানব পাচার বন্ধের লক্ষ্যে তাদেরকে দায়িত্বশীল করতে না পারলে শিশু তথা মানব পাচারের ঝুঁকিতে থাকা ও পাচারের শিকার ব্যক্তিদের কার্যকর সহায়তা ও সুরক্ষা প্রদান করা যাচ্ছে না। পিসিপিএসসিএন’র পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা এবং সাথে সাথে গণমাধ্যমের সোচ্চার হওয়ার আহবান জানানো হয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।