ডেস্ক রিপোর্ট: চাকুরী স্থায়ীকরণের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এক্সট্রা মোহরার (নকলনবীশ) অ্যাসোসিয়েশন সাতক্ষীরা জেলা শাখা। মানববন্ধনে দাবি আদায়ে আমরণ অনশন কর্মসূচির আল্টিমেটাম দিয়েছে সংগঠনটি।
রোববার (৫ মে) দুপুর ২টায় সাতক্ষীরা রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন এক্সট্রা মোহরার অ্যাসোসিয়েশনের জেলা শাখার নেতা মহিউদ্দীন আহমেদ, আমির হামজা, মহিব্বুল্লাহ, আব্দুর রউফ, আমানুর রহমান, মাহমুদুল হাসান লাল্টু, জেসমিন নাহার, কামরুন্নাহার, সুজয় মল্লিক, শিরিন আক্তার, গোলজার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, নিবন্ধন অধিদপ্তরের আওতাভুক্ত ৬১টি জেলা সদর মহাফেজ খানাসহ ৫০৯টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত ১৫ হাজার এক্সট্রা মোহরার জনগণের রেজিস্ট্রিকৃত দলিল বালাম বইতে লিপিবদ্ধ করে অবিনাশযোগ্য রেকর্ড সৃষ্টি করছে। কিন্তু আমরা বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, শিক্ষা ভাতা, সহায়ক ভাতা এবং পবিত্র ঈদে বোনাসসহ অন্যান্য উৎসব ভাতা এবং যাবতীয় সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তৎকালীন সময়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক্সট্রা মোহরারদের চাকুরী স্থায়ী করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে অন্যান্য বিভাগের এক্সট্রা মোহরারদের স্থায়ী হলেও আজ অবধি রেজিস্ট্রেশন বিভাগের আমরা বঞ্চিত আছি।
বক্তারা ১৯৭৩ সালের বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা, ১৯৮৪ সালের ১৬-ই আগস্ট এর জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমর্থন ও ১৯৮৭ সালে আইন মন্ত্রাণালয় গঠিত কমিটির ১৬(ক) সুপারিশ মালার আলোকে এক্সট্রা মোহরারদের বর্তমানে জাতীয় বেতন স্কেলের আওতায় আনয়নপূর্বক সরকারি রাজস্ব খাতের ৩য় শ্রেণির কর্মচারীর মর্যাদা দিয়ে চাকুরী স্থায়ীকরণের দাবি জানান।
এ সময় দাবি আদায়ে ৭ মে পর্যন্ত স্ব স্ব অফিসের সামনে মানববন্ধন, ১৯ মে ও ২০ মে কলমবিরতি, ১১ জুন জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় ঘেরাও, ১৭ জুন সকল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন, ২৩ জুন ঢাকার আইজিআর অফিসের সামনে অবস্থান ধর্মঘট, ২৫ জুন জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরণ ধর্মঘটের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
