ঢাকাThursday , 2 May 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

সাতক্ষীরায় ৭নং সতর্ক সংকেত: ‘ফণী’ মোকাবেলায় প্রস্তুত জেলা প্রশাসন, নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নম্বর ০৪৭১৬৩২৮১

admin
May 2, 2019 9:27 pm
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট: ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ মোকাবেলায় প্রস্তুত সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের পক্ষে এরই মধ্যে দুর্যোগের সম্ভাব্য আঘাত হানার বিষয়ে ৭নং সতর্ক সংকেত প্রচার করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, জেলার ১৩৭টি সরকারি সাইক্লোন শেল্টার এবং বেসরকারি পর্যায়ের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে স্কুল-কলেজ, মাদরাসা, ইউনিয়ন পরিষদ, কমিউনিটি সেন্টার দুর্যোগকবলিত জনগণের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নদী ও সমুদ্রে থাকা মাছ ধরা নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। প্রস্তুত রয়েছে আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলার ৩ হাজার ৬৫৫ জন স্বেচ্ছাসেবক। এসব উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে সতর্ক সংকেত হিসেবে লাল পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ১১ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রক্ষায় সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এসব এলাকায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। তাদের হাতে পর্যাপ্ত ওষুধ, খাবার স্যালাইন মজুত রাখা হয়েছে। নৌযান, শুকনা খাবার, শিশুখাদ্য এবং সুপেয় পানির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবেলা এবং উদ্ধারকাজ পরিচালনায় ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড, বিজিবি, আনসার, রেড ক্রিসেন্ট, স্কুল-কলেজের স্কাউট টিম এবং স্বেচ্ছাসেবক ছাড়াও পুলিশ সদস্যদেরও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এলাকার জনপ্রতিনিধিদের ও তাদের সহযোগী কর্মীদের প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। নারী ও শিশু, প্রতিবন্ধী, গর্ভবতী মা, রোগাক্রান্ত মানুষ এবং বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের উদ্ধারে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
সূত্র মতে, জেলার তিনটি ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা শ্যামনগর, আশাশুনি এবং কালীগঞ্জে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে এরই মধ্যে কাজ শুরু করা হয়েছে। অপর চারটি উপজেলায়ও প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। জনগণের জানমালের পাশাপাশি গবাদি পশুর জীবন রক্ষায় উঁচু জায়গার ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাতের নাগালে যাতে পশুখাদ্য মেলে সে ব্যবস্থা করা হয়েছে। সতর্কতা প্রচারের জন্য পাড়ায় পাড়ায় মসজিদের মাইক ব্যবহারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার অফিসে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ফোন নম্বর ০৪৭১৬৩২৮১। এছাড়া সব উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। সাতক্ষীরার মাঠভরা পাকাধান সম্ভব হলে দুদিনের মধ্যে কেটে নেয়ার জন্য কৃষি বিভাগের মাধ্যমে অনুরোধ জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলাগুলোর নির্বাহী অফিসাররা ‘ফণীর’ সম্ভাব্য আঘাত মোকাবেলায় পৃথক সভা করেছেন।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয় জানায়, জেলায় দুর্যোগ মোকাবেলায় ৩২শ প্যাকেট শুকনা খাবার, ১১৬ টন চাল, ১ লক্ষ ৯২হাজার টাকা, ১১৭ বান টিন, গৃণ নির্মাণে ৩ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা ও ৪০ পিস শাড়ি মজুদ আছে।
১৫-২০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশংকা করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ৮, ৯ ও ১০ নম্বর সর্তক সংকেত আসলে উপকূলীয় মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিতে হবে। যতদূর সম্ভব দ্রুততার সাথে মাঠের ফসল ঘরে তুলতে হবে। সংকেত প্রচারে ইমামদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।