ঢাকাWednesday , 24 April 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

সংবাদ সম্মেলনে স্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি স্বামীর

admin
April 24, 2019 10:48 pm
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট: স্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্বামী।
বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে শ্যামনগর উপজেলার পশ্চিম বিড়ালাক্ষী গ্রামের আবদুল কাদির মিন্টু এই দাবি জানান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন তার ভাই ওবায়দুল ইসলাম, ভাবী শম্পা খাতুন ও বোন হিরা খাতুন।
লিখিত বক্তব্যে কাদির জানান, ১২ বছর আগে শহরের কামালনগর গ্রামের সোহরাব হোসেন বাহারের মেয়ে শামসুন্নাহারের সাথে তার বিয়ে হয়। ২০১৭ সালে শ্বশুর সোহরাব হোসেনের মৃত্যুর পর থেকে শ্বাশুড়িকে দেখাশুনা করার জন্য আবদুল কাদির মিন্টু কামালনগরে শ^শুর বাড়িতে থাকতেন। সংসার করাকালে কাদির বহু টাকার আসবাবপত্র ক্রয় করেন। তিনি নিজে এনজিওতে চাকরি করেন, এজন্য তাকে অনেক সময় বাড়ির বাইরে থাকতে হয়। এই সুযোগে তার স্ত্রী শামসুন্নাহার সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আগরদাঁড়ি এলাকার বাবুর আলি সরদারের ছেলে ইসমাইল হোসেন মিঠুন নামের এক ব্যক্তির সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। মিঠুনের চরিত্র ভাল না এবং সে আগে আরও তিনটি বিয়ে করেছে জানতে পেরে আবদুল কাদির তার স্ত্রীকে সেই পথ ছেড়ে আসার কথা বলেন। কিন্তু সেসব কথা কানে না নিয়ে আড়াই মাস আগে মিঠুনের সাথে শামসুন্নাহার গোপনে বিয়ে করে। পরে তারা শহরের রাজারবাগান এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে বাস করতে থাকে।
কাদির মিন্টু বলেন, এ বিষয়ে তিনি তার স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলে এক পর্যায়ে সে স্বীকার করে যে ‘আমি ভুল করেছি। আমাতে মাফ করে দাও’। এ কথা জানার পর কাদির সরল বিশ^াসে তাকে তালাক করিয়ে নেন আদালতের মাধ্যমে। এরপর থেকে শামসুননাহার ও কাদির তাদের শ্যামনগরের বাড়িতে বসবাস করতে থাকেন।
সংবাদ সম্মেলনে কাদির বলেন, কিছুদিন পর তার শ্বশুরের শরীর খারাপ হওয়ায় শামসুন্নাহার কামালনগরে ফিরে আসেন। সেখান থেকে সে আর শ্যামনগরের বাড়িতে যায়নি। এর কিছুদিন পর কাদির কামালনগরে নিজের শ্বশুর বাড়ি এসে দেখতে পান শামসুননাহার মিঠুনের সাথে স্বামী স্ত্রী হিসাবে বসবাস করছে। এ সময় সে জানিয়ে দিয়েছে ইসমাইল হোসেন মিঠুন তার স্বামী এবং আগের স্বামী কাদির ও তার পরিবারের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।
কাদির বলেন, আমার সাবেক স্ত্রীর কাছে ৫ লাখ টাকারও বেশি মূল্যের স্বর্ণালংকার রয়েছে। আমার সারা জীবনের উপার্জনের বড় অংশ তার হাতে পড়েছে। বাড়ি করার জন্য শ^শুরকে আড়াই লাখ টাকাও দিতে হয়েছিল। এসব মিলে প্রায় আট লাখ টাকা হজম করে ফেলেছে শামসুন্নাহার ও তার নব্য লম্পট স্বামী ইসমাইল হোসেন মিঠুন। ইসমাইল মিঠুন তার আগের স্ত্রীকে কামালনগরে ফেলে রেখে এসেছে। তাকে তালাকও দিচ্ছে না। তার সাথে সে নানা কথা বলে নাটক করছে। তার ওপর নির্মম নির্যাতন চালাচ্ছে। কথা বললে তাকে মারধর করছে। ডিস ব্যবসার নামে মিঠুন লাম্পট্য চালিয়ে যাচ্ছে। এই মিঠুন ও তার নব্য কথিত স্ত্রী শামসুন্নাহার এখন কাদিরকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণেুর জন্য কাদির প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা চেয়েছেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।