ঢাকাWednesday , 10 April 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

ঝড়ে আমের ব্যাপক ক্ষতি

admin
April 10, 2019 10:06 pm
Link Copied!

গাজী আসাদ: কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে জেলায় আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। চাষী ও ব্যবসায়ীদের দাবি, ঝড়ে গাছ থেকে প্রচুর আমের গুটি ঝরে পড়েছে। কাঁচা আমের ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা না গেলেও এই ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা সম্ভব নয় বলে দাবি করেছেন তারা।
বুধবার (১০ এপ্রিল) সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যার কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে আমের বাগানে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। জেলা শহরের রাজার বাগান, মুনজিতপুর, কাটিয়া, সুলতানপুর, পুরাতন সাতক্ষীরা, মাছখোলা, শাল্যে, জেয়ালা, ধুলিহর, ব্রহ্মরাজপুর, ফিংড়ী, রসুলপুর, কদমতলা, আবাদেরহাট, মাধবকাটি, ঝাউডাঙ্গা, থানাঘাটা, বিনেরপোতাসহ বিভিন্ন এলাকার বাগান থেকে প্রচুর কাঁচা আম ঝড়ে পড়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাগানে ছোট ছোট কাঁচা আম পড়ে আছে। কোথাও কোথাও আম গাছ ও গাছের ডাল ভেঙে পড়েছে। আর ঝড়ে পড়া এসব আম স্থানীয় বাজারে কম দামে বিক্রি হচ্ছে। চাষীরা বলছেন, চলতি মৌসুমে আম থেকে তারা যে লাভ তারা হিসাব কষেছিলেন, কয়েক দিনের ঝড়ে তা উবে গেছে। তাদের স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।
আমচাষী বিপ্লব ভট্রাচার্য সোনা বলেন, এ বছর চার লাখ আশি হাজার টাকা দিয়ে পাঁচটি বাগান কিনেছি। লক্ষ্য ছিলো প্রায় ছয়শ মণ আম পাব। কিন্তু মঙ্গলবারের ঝড়ে প্রায় একশ মণ কাঁচা আম ঝরে গেছে। এ বছর আরো ঝড় হবে শোনা যাচ্ছে। তাই ক্ষতির পরিমান ঠিক বলা যাচ্ছে না। গত দিনের ঝড়ে প্রায় দুই লাখ টাকার মত ক্ষতি হয়েছে। এবছর আমার মত সকল আম ব্যবসায়ীর একই অবস্থা। এবছর আমরা আমের ভালো দাম না পেলে সবাই ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়বো।
সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুরের আম চাষী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, তার ৩০-৩৫ লাখ টাকার আম বাগান রয়েছে। মোটামুটি ভালো ফলন হয়েছিল। কিন্তু, গেলো কয়েক দিনের ঝড়ে বাগানের প্রায় অর্ধেক আম পড়ে গেছে। আর যা রয়েছে তা দিয়েও লাভতো দূরের কথা প্রায় দশ লাখ টাকার ক্ষতি হবে। চলতি মৌসুমে আমাদের পথে বসতে হবে।
এদিকে, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, জেলায় আম বাগানগুলো থেকে সম্ভাব্য উৎপাদন ধরা হয়েছে প্রায় ৪০ হাজার ৯শ ৬০ মেট্রিক টন। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১২ হাজার ৫শ ১০ মেট্রিক টন, কলারোয়ায় ৬ হাজার ৩৫ মেট্রিক টন, তালায় ৭ হাজার ৬০ মেট্রিক টন, দেবহাটায় ৩ হাজার ৬শ ৮৫ মেট্রিক টন, কালিগঞ্জে ৮ হাজার ৮শ ২০ মেট্রিক টন, আশাশুনিতে ১ হাজার ২শ ৫০ মেট্রিক টন, শ্যামনগরে ১ হাজার ৬শ মেট্রিক টন।
আমচাষী ও ব্যবসায়ীদের দাবি, চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব নয়। যদিও জেলা কৃষি বিভাগ বলছে, এখনও বাগানে যে আম রযেছে তাতে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।
সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক অরবিন্দ বিশ্বাস বলেন, গেলো কয়েক দিনের ঝড়ে আমের ফলনে তেমন উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়নি। কিছু আম ঝরে পড়েছে। সেটা আম পরিপক্ক হওয়ার আগ পর্যন্ত যায়। আর ঝড়ে আম বাগানগুলো আক্রান্ত হলেও বড় ধরণের ক্ষতি হয়নি। আশা করা যাচ্ছে সামনে যদি বড় ধরণের দুর্যোগ না হয় তবে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে। যা আম গাছে আছে তাতে চাষীদের খরচ পুষিয়ে যাবে। তারা লাভের মুখ দেখবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।