ঢাকাMonday , 8 April 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

সংবাদ সম্মেলনে পাখিমারা টিআরএম প্রকল্পে ১ সপ্তাহের মধ্যে ক্রসড্যাম নির্মাণের দাবি কপোতাক্ষ অববাহিকায় ফের ভয়াবহ জলাবদ্ধতার শংকা

admin
April 8, 2019 8:41 pm
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট: খননকৃত কপোতাক্ষ ফের পলি জমে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে আবারও মরণদশার মুখে পড়ছে ৯০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ নদ। সঠিক সময়ে কপোতাক্ষের তালা উপজেলার পাখিমারা বিলের টিআরএম প্রকল্পে ক্রসড্যাম না দেওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। আর তাই কপোতাক্ষ অববাহিকার প্রায় ২৫ লাখ জনগোষ্ঠী আবারও ভয়াবহ জলাবদ্ধতার শিকার হতে পারে বলে আশংকা করছেন তারা। তারা আরও বলেন, এ ধরনের জটিলতার কারণে যশোরের বিল খুকশিয়া ও বিল কপালিয়ার জোয়ারাধার প্রকল্প লণ্ড ভণ্ড হয়ে গেছে।
গতকাল সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে কেন্দ্রীয় পানি কমিটির নেতৃবৃন্দ এই আশংকা প্রকাশ করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান কেন্দ্রীয় পানি কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ এবিএম শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ২৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে কপোতাক্ষ খননের পর ২০১৭ সালে তালার পাখিমারা বিলে চালু করা হয় টিআরএম (টাইডাল রিভার ম্যানেজমেন্ট) প্রকল্প। নিয়ম অনুযায়ী কপোতাক্ষে ভেসে আসা পলি পাখিমারা বিলে অবক্ষেপিত হয়। এতে নদী যেমন সচল থাকে তেমনি বিলসমূহ পলিমাটি ভরাট হয়ে চাষযোগ্য হয়ে ওঠে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, গত বছর ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ক্রসড্যাম নিমার্ণ করা হলেও এ বছর বরাদ্দকৃত ৬৪ লাখ টাকার কোনো কাজ হয়নি। ফলে কপোতাক্ষে পলি জমতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে নদের এক তৃতীয়াংশ পলিতে ভরাট হয়ে গেছে। বর্ষা মৌসুমে তা আরও জটিল আকার ধারণ করবে।
সংবাদ সম্মেলনে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কপোতাক্ষের পাখিমারা টিআরএম প্রকল্পে ক্রসড্যাম নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, তালা উপজেলা পানি কমিটির সভাপতি ময়নুল হোসেন, সেক্রেটারি মীর জিল্লুর রহমান, অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলাউদ্দিন জোয়ারদার প্রমুখ।
পরে তারা পানিসম্পদ মন্ত্রী বরাবর উল্লিখিত দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রদান করেন।
কপোতাক্ষ সংযুক্ত পাখিমারা টিআরএম প্রকল্পে ক্রসড্যাম না দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ড কেশবপুর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) মো. সাঈদুর রহমান জানান, ক্রসড্যাম আমরা ফেব্রুয়ারিতে শুরু করেছিলাম। কিন্তু কপোতাক্ষ খননের পর এর পানির ভলিউম এবং স্রোত ও জোয়ারভাটা বেড়ে গেছে। ফলে চাকলা ব্রিজের কাছে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পাখিমারা ক্রসড্যামও ধসে গেছে। বৃষ্টির কারণে নতুন করে কাজ শুরু করতে বিলম্ব হয়েছে। ফের কাজ শুরু হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে এই ক্রসড্যাম সম্পন্ন হবে বলে আশা করছি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।