দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটায় মিথ্যা ষড়যন্ত্র ও চাঁদাবাজদের হাত থেকে রক্ষা পেতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৭ এপ্রিল) বিকাল ৪টায় দেবহাটা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে উপজেলার উত্তর পারুলিয়া গ্রামের আব্দুর রউফ গাজীর ছেলে অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট আফসার আলী এই সংবাদ সম্মেলন করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার পরিবারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এবং নামধারী কয়েকজন চাঁদাবাজের হাত থেকে রেহাই পেতে চাই। সম্প্রতি আমার ছোট ভাই আশরাফুল ইসলামের সাথে স্থানীয় এক নারীকে জড়িয়ে মিথ্যা অভিযোগ উঠেছে। সেকেন্দ্রারা সানাপাড়া গ্রামের আলমগীর হোসেনের স্ত্রী রেহেনা আক্তার পলি আমাদের পরিবারের শান্তি নষ্ট করতে স্থানীয়দের সাথে যোগসূত্র করে উত্তর সখিপুর গ্রামের মৃত আবু বক্করের ছেলে মোমিনুর রহমান, একই গ্রামের মিজানুর রহমান মিনুর ছেলে মাহমুদুল হাসান শাওন, পাঁচপোতা গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে কবির হোসেন, সখিপুরের মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে নাসির উদ্দীন একত্রে মিলে মিথ্যা যড়যন্ত্র ও নোংরা খেলায় মেতেছে। তারা পলিকে পুঁজি করে তাকে ভুল বুঝিয়ে আমাদের বেকায়দায় ফেলানোর অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং বিষয়টি মেটানোর নামে আমাদের কাছে মোটা অংকের টাকার দাবি করে আসছিল। আমরা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তারা আমাদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের ভয়ভীতি এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেবে বলে হুমকি দিতে থাকে। পরবর্তীতে ঐ চাঁদাবাজ চক্র পলিকে দিয়ে মিথ্যা নাটক সাজিয়ে গত ৩ এপ্রিল দুপুর ১২টার দিকে আমাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। এসময় আমার মা পলিকে আমাদের বাড়িতে আসার বিষয়ে প্রশ্ন করলে পলি আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী বলে দাবি জানায়। কিন্তু স্থানীয় জনগনের সম্মুখে কোন বৈধ এবং বিয়ের বিষয়ে যথার্থ কোন প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়ে একপর্যায়ে পলি বাধ্য হয়ে নিজেই তাদের বাড়ি থেকে চলে যায়। এসময় চাঁদাবাজরা আমাদের বাড়ির সামনে অপেক্ষা করছিলো। পরে চাঁদাবাজরা পলিকে নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। আর বার বার টাকা চাইতে থাকে। এ সময় আমরা ভয় পেয়ে সাতক্ষীরা শহরের এক সংবাদকর্মীকে জানালে তারা আমাদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে। এমনকি তার সাথে জিএম সৈকত, ডিএ তায়েবসহ বিভিন্ন ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে রীতিমত আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকিও দেয়। এমনকি তারা আমার মেঝ ভাই আশরাফের স্ত্রী মনোয়ারা বেগমের কাছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বারবার তাদের সাথে একা দেখা করতে বলে এবং ছোট ভাই শাহিদুলের কাছে বারবার টাকা চায়।
এরপর থেকে চাঁদাবাজ চক্র ঐ নারীকে দিয়ে আমাদের পরিবারের শান্তি, সামাজিক মান মর্যাদা ও সম্মান নষ্ট করার অপচেষ্টা করে চলেছে। আমরা ঐ ছলনাময়ী নারী ও চাঁদাবাজদের হাত থেকে রেহাই পেতে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
